দীর্ঘ সাত বছরেও সংস্কার না হওয়ায় যশোর শহরের বকচর হুঁশতলা মোড় থেকে নীলগঞ্জ মেইন সড়ক পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক হয়ে উঠেছে। খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমে যায়, আর ভারী বর্ষণে সড়কের ওপর দিয়ে পানির স্রোত বয়ে যায়। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহন চালকদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ভোগান্তি চললেও সড়কটি সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর পৌরসভার বকচর হুঁশতলা মোড় থেকে নীলগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় পুরো সড়কই ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে ভরা। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘসময় জমে থাকে। এতে বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা মিশে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং চলাচল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে এই সড়কে রিকশা, ইজিবাইক ও অটোরিকশা ছাড়া বড় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। গর্ত ও জমে থাকা পানির কারণে মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালানোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, অনেকেই হাত-পা, কোমরে আঘাত পাচ্ছেন, এমনকি হাড় ভাঙার ঘটনাও ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হামিদপুর আলহেরা ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলী বলেন, চাকরির সুবিধায় এ এলাকায় বাড়ি করলেও এখন সেটিই যেন তার সবচেয়ে বড় ভুল। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়, অথচ পৌরসভার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।
নীলগঞ্জের বাসিন্দা সামিউল হাসান জানান, প্রায় সাত-আট বছর আগে একবার সংস্কার করা হলেও ছয় মাসের মধ্যেই সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরে যায়। এরপর আর কোনো সংস্কার হয়নি। তার দাবি, প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ জন মানুষ এ সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন।
আরেক বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, পানি জমে থাকায় বাধ্য হয়ে ভিজে রাস্তা পেরোতে হয়। এতে প্রায়ই মানুষ পিছলে পড়ে আহত হন। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় সড়কের পাশের কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইবাদ আলী বলেন, একসময় বকচর-নীলগঞ্জ সড়কটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এখন এটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদ হোসেন বলেন, সড়কটির বিষয়টি পৌরসভার নজরে রয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শরীফ হাসান জানান, নীলগঞ্জ-তাঁতীপাড়া সড়কের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। খুব শিগগিরই এটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আনা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ সাত বছরেও সংস্কার না হওয়ায় যশোর শহরের বকচর হুঁশতলা মোড় থেকে নীলগঞ্জ মেইন সড়ক পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীক হয়ে উঠেছে। খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমে যায়, আর ভারী বর্ষণে সড়কের ওপর দিয়ে পানির স্রোত বয়ে যায়। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহন চালকদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ভোগান্তি চললেও সড়কটি সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর পৌরসভার বকচর হুঁশতলা মোড় থেকে নীলগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় পুরো সড়কই ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে ভরা। কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘসময় জমে থাকে। এতে বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা মিশে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং চলাচল আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে এই সড়কে রিকশা, ইজিবাইক ও অটোরিকশা ছাড়া বড় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। গর্ত ও জমে থাকা পানির কারণে মোটরসাইকেল ও সাইকেল চালানোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে, অনেকেই হাত-পা, কোমরে আঘাত পাচ্ছেন, এমনকি হাড় ভাঙার ঘটনাও ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হামিদপুর আলহেরা ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশরাফ আলী বলেন, চাকরির সুবিধায় এ এলাকায় বাড়ি করলেও এখন সেটিই যেন তার সবচেয়ে বড় ভুল। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়, অথচ পৌরসভার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।
নীলগঞ্জের বাসিন্দা সামিউল হাসান জানান, প্রায় সাত-আট বছর আগে একবার সংস্কার করা হলেও ছয় মাসের মধ্যেই সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরে যায়। এরপর আর কোনো সংস্কার হয়নি। তার দাবি, প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ জন মানুষ এ সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন।
আরেক বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, পানি জমে থাকায় বাধ্য হয়ে ভিজে রাস্তা পেরোতে হয়। এতে প্রায়ই মানুষ পিছলে পড়ে আহত হন। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় সড়কের পাশের কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইবাদ আলী বলেন, একসময় বকচর-নীলগঞ্জ সড়কটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় এখন এটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে যশোর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদ হোসেন বলেন, সড়কটির বিষয়টি পৌরসভার নজরে রয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শরীফ হাসান জানান, নীলগঞ্জ-তাঁতীপাড়া সড়কের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। খুব শিগগিরই এটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন