গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় পেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে ইয়াবা বহন করার সময় মো. আমিনুল ইসলাম রাজু (৩৩) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৬। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার পেট থেকে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রোববার (২ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভাটিয়াপাড়া মোড়ে ঢাকাগামী ‘দোলা পরিবহন’-এর একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র্যাব-৬ ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের কমান্ডার পুলিশ এসপি এস. এম. রেজাউল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় বাসের যাত্রী আমিনুল ইসলাম রাজুর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজু স্বীকার করেন যে, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত থেকে এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবা গিলে পেটের ভেতরে নেন। এরপর ঢাকা হয়ে তা খুলনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। আটকের পর ইয়াবা উদ্ধারের জন্য রাজুকে দ্রুত কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তার পেটের এক্স-রে করা হয় এবং পেটে ইয়াবার পুটলি থাকার সত্যতা মেলে। এরপর চিকিৎসকের দেওয়া বিশেষ ওষুধ সেবন করানো হয় রাজুকে। ওষুধ খাওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই মলের সাথে তার পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা। র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের এমন অভিনব পাচার ও কারবারের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় পেটের ভেতর বিশেষ কৌশলে ইয়াবা বহন করার সময় মো. আমিনুল ইসলাম রাজু (৩৩) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৬। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার পেট থেকে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রোববার (২ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভাটিয়াপাড়া মোড়ে ঢাকাগামী ‘দোলা পরিবহন’-এর একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র্যাব-৬ ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের কমান্ডার পুলিশ এসপি এস. এম. রেজাউল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় বাসের যাত্রী আমিনুল ইসলাম রাজুর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজু স্বীকার করেন যে, তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত থেকে এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবা গিলে পেটের ভেতরে নেন। এরপর ঢাকা হয়ে তা খুলনায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। আটকের পর ইয়াবা উদ্ধারের জন্য রাজুকে দ্রুত কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তার পেটের এক্স-রে করা হয় এবং পেটে ইয়াবার পুটলি থাকার সত্যতা মেলে। এরপর চিকিৎসকের দেওয়া বিশেষ ওষুধ সেবন করানো হয় রাজুকে। ওষুধ খাওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই মলের সাথে তার পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে ২ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা। র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের এমন অভিনব পাচার ও কারবারের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন