মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা মো. জুলহাসকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক জুলহাস পেশায় একটি মিলের শ্রমিক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত জুলহাস তার স্ত্রী এবং স্ত্রীর আগের সংসারের ১১ বছর বয়সী শিশু মেয়েটিকে নিয়ে বানিয়াজুরী এলাকার ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জুলহাস বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।সম্প্রতি নির্যাতনের এই নির্মম বিষয়টি পরিবারের বাইরে জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি ঘিওর থানা পুলিশ জানার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সৎ বাবাকে হাতেনাতে আটক করে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন:"এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবা মো. জুলহাসকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক জুলহাস পেশায় একটি মিলের শ্রমিক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত জুলহাস তার স্ত্রী এবং স্ত্রীর আগের সংসারের ১১ বছর বয়সী শিশু মেয়েটিকে নিয়ে বানিয়াজুরী এলাকার ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জুলহাস বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।সম্প্রতি নির্যাতনের এই নির্মম বিষয়টি পরিবারের বাইরে জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি ঘিওর থানা পুলিশ জানার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সৎ বাবাকে হাতেনাতে আটক করে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন:"এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন