বাজারে সুগন্ধি ও আতপ চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। চালের অবৈধ মজুত, সঠিক তথ্য না থাকা এবং বস্তার গায়ে মিলগেট মূল্য না লেখার অপরাধে নওগাঁর দুটি বড় অটো রাইস মিলকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে শহরের ইয়াদ আলীর মোড় ও জবার মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁর সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদের নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। চাল মজুতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য দিতে না পারায় মিলটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে জবার মোড় এলাকার এই প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো মিল মালিক ১৫ দিনের বেশি চাল মজুত রাখতে পারবেন না। কিন্তু বেলকন ও টিকে গ্রুপে মজুত রাখা চালগুলো কতদিনের পুরনো, সে বিষয়ে কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, গত কয়েকদিন ধরে বাজারে সুগন্ধি ও আতপ চালের বাজার লাগামহীন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন:
"কিছুদিন আগেও যে সুগন্ধি চাল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন বাজারে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় ঠেকেছে। মিল মালিকরা দাবি করছেন, বাজারে সুগন্ধি ধানের দুষ্প্রাপ্যতা রয়েছে এবং প্রতি মণ ধানের দাম ৪ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ফলে তারা মিলগেট মূল্যই রাখছেন প্রায় ২০০ টাকা। তবে এই দামের পেছনে কৃত্রিম কোনো কারসাজি আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে এবং চালের বাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
অভিযান চলাকালে নওগাঁ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বিপণন কর্মকর্তা সোহাগ সরকারসহ জেলা পুলিশ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
বাজারে সুগন্ধি ও আতপ চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। চালের অবৈধ মজুত, সঠিক তথ্য না থাকা এবং বস্তার গায়ে মিলগেট মূল্য না লেখার অপরাধে নওগাঁর দুটি বড় অটো রাইস মিলকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে শহরের ইয়াদ আলীর মোড় ও জবার মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁর সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদের নেতৃত্বে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। চাল মজুতের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য দিতে না পারায় মিলটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে জবার মোড় এলাকার এই প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো মিল মালিক ১৫ দিনের বেশি চাল মজুত রাখতে পারবেন না। কিন্তু বেলকন ও টিকে গ্রুপে মজুত রাখা চালগুলো কতদিনের পুরনো, সে বিষয়ে কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, গত কয়েকদিন ধরে বাজারে সুগন্ধি ও আতপ চালের বাজার লাগামহীন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন:
"কিছুদিন আগেও যে সুগন্ধি চাল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন বাজারে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় ঠেকেছে। মিল মালিকরা দাবি করছেন, বাজারে সুগন্ধি ধানের দুষ্প্রাপ্যতা রয়েছে এবং প্রতি মণ ধানের দাম ৪ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। ফলে তারা মিলগেট মূল্যই রাখছেন প্রায় ২০০ টাকা। তবে এই দামের পেছনে কৃত্রিম কোনো কারসাজি আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে এবং চালের বাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
অভিযান চলাকালে নওগাঁ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বিপণন কর্মকর্তা সোহাগ সরকারসহ জেলা পুলিশ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন