চাহিদামতো সিএনজি গ্যাস সরবরাহ এবং জেলায় আরও একটি ফিলিং স্টেশন নির্মাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে শহরের বাইপাস এলাকায় জাবেদ ফিলিং স্টেশনের সামনে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী চালকরা জানান, গত প্রায় দুই মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৪০-৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চালকদের জামালপুর সদরের একমাত্র পাম্পটিতে আসতে হয়। ১১-১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ৫০০ টাকার চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস মিলছে, যা যাতায়াতেই শেষ হয়ে যায়। ফলে উপার্জন বন্ধ হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।
দেওয়ানগঞ্জ থেকে আসা আকাশ নামের এক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার গাড়িতে ৫০০ টাকার গ্যাস লাগে, কিন্তু পাম্পে এসে পাচ্ছি ৮০-১০০ টাকার। এই গ্যাসে আসা-যাওয়াই চলে যায়, ভাড়া মারব কখন?" দ্রুত সমাধান না হলে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
গ্যাস সংকটের বিষয়ে জাবেদ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক পরিচালক আতিকুল রহমান বাবর জানান, মূল সংযোগ থেকেই গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় তারা চাহিদামতো গ্যাস দিতে পারছেন না। সরবরাহ থাকা সাপেক্ষে তারা নিয়মিত গ্যাস দিচ্ছেন বলে দাবি করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ জানান, চালকদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
চাহিদামতো সিএনজি গ্যাস সরবরাহ এবং জেলায় আরও একটি ফিলিং স্টেশন নির্মাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে শহরের বাইপাস এলাকায় জাবেদ ফিলিং স্টেশনের সামনে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী চালকরা জানান, গত প্রায় দুই মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৪০-৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চালকদের জামালপুর সদরের একমাত্র পাম্পটিতে আসতে হয়। ১১-১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ৫০০ টাকার চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস মিলছে, যা যাতায়াতেই শেষ হয়ে যায়। ফলে উপার্জন বন্ধ হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।
দেওয়ানগঞ্জ থেকে আসা আকাশ নামের এক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার গাড়িতে ৫০০ টাকার গ্যাস লাগে, কিন্তু পাম্পে এসে পাচ্ছি ৮০-১০০ টাকার। এই গ্যাসে আসা-যাওয়াই চলে যায়, ভাড়া মারব কখন?" দ্রুত সমাধান না হলে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
গ্যাস সংকটের বিষয়ে জাবেদ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক পরিচালক আতিকুল রহমান বাবর জানান, মূল সংযোগ থেকেই গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় তারা চাহিদামতো গ্যাস দিতে পারছেন না। সরবরাহ থাকা সাপেক্ষে তারা নিয়মিত গ্যাস দিচ্ছেন বলে দাবি করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ জানান, চালকদের সঙ্গে কথা বলে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন