রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তেলের মিলসহ প্রায় ১০টি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে বাজারের বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় মো. আব্দুল জলিল মোল্লার তেলের মিলে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডে জলিল মোল্লার তেলের মিল, তার ছেলের ওষুধের দোকান, হিটু মোল্লার পাটের গোডাউন, মিল্টন মোল্লার পাটের ঘর, কংগ্রেস বিশ্বাসের মুদি দোকান এবং আব্দুল হান্নান স্যারের ছেলে সুমনের ওষুধের দোকানসহ প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেন।
বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সালাউদ্দিন লস্কর বলেন, রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে তারা আগুনের খবর পান এবং সোয়া ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরও তাদের কার্যক্রম চলমান ছিল।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তেলের মিলসহ প্রায় ১০টি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে বাজারের বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় মো. আব্দুল জলিল মোল্লার তেলের মিলে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডে জলিল মোল্লার তেলের মিল, তার ছেলের ওষুধের দোকান, হিটু মোল্লার পাটের গোডাউন, মিল্টন মোল্লার পাটের ঘর, কংগ্রেস বিশ্বাসের মুদি দোকান এবং আব্দুল হান্নান স্যারের ছেলে সুমনের ওষুধের দোকানসহ প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বালিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেন।
বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সালাউদ্দিন লস্কর বলেন, রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে তারা আগুনের খবর পান এবং সোয়া ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপরও তাদের কার্যক্রম চলমান ছিল।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন