চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব ও এর বিস্তার প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভাপতি: জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী।
প্রধান উপস্থিতিবৃন্দ:
উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, উপ-পরিচালক (উপসচিব), স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পৌর প্রশাসক
মো. একরামুল হক পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)
মো. আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, অধ্যক্ষ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ
আবদুল ওদুদ, সভাপতি, জেলা আইনজীবী সমিতি
জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
আলোচনার মূল বিষয় ও সামাজিক প্রভাব: ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতার সুযোগে তরুণ ও যুবসমাজ ব্যাপকভাবে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, এটি বর্তমানে সমাজে একটি "নীরব মহামারী" রূপ ধারণ করেছে, যা ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক ধ্বংসের পাশাপাশি গুরুতর সামাজিক ও মানসিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সুপারিশ ও গৃহীত পদক্ষেপ:
সম্মিলিত উদ্যোগ: প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের একযোগে কাজ করার আহ্বান।
আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা: অনলাইন জুয়ার সাইট ও চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
তরুণদের সম্পৃক্ততা: যুবসমাজকে ধ্বংসাত্মক জুয়া থেকে দূরে রাখতে ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব ও এর বিস্তার প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভাপতি: জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী।
প্রধান উপস্থিতিবৃন্দ:
উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, উপ-পরিচালক (উপসচিব), স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পৌর প্রশাসক
মো. একরামুল হক পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)
মো. আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, অধ্যক্ষ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ
আবদুল ওদুদ, সভাপতি, জেলা আইনজীবী সমিতি
জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
আলোচনার মূল বিষয় ও সামাজিক প্রভাব: ডিজিটাল প্রযুক্তির সহজলভ্যতার সুযোগে তরুণ ও যুবসমাজ ব্যাপকভাবে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, এটি বর্তমানে সমাজে একটি "নীরব মহামারী" রূপ ধারণ করেছে, যা ব্যক্তি ও পরিবারকে আর্থিক ধ্বংসের পাশাপাশি গুরুতর সামাজিক ও মানসিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সুপারিশ ও গৃহীত পদক্ষেপ:
সম্মিলিত উদ্যোগ: প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের একযোগে কাজ করার আহ্বান।
আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা: অনলাইন জুয়ার সাইট ও চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
তরুণদের সম্পৃক্ততা: যুবসমাজকে ধ্বংসাত্মক জুয়া থেকে দূরে রাখতে ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ।

আপনার মতামত লিখুন