চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক, ট্র্যাংক লরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে। পুলিশের উদ্যোগে দুই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চাঁদা উত্তোলন ও ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে উভয় পক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দুই পক্ষের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, পিপিএমের নেতৃত্বে দুই শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইয়াসির আরাফাত, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
চাঁদা ভাগাভাগিতে সমঝোতা
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, লোকাল বাস থেকে উত্তোলন করা ৩০ টাকা চাঁদা দুই শ্রমিক সংগঠন ১৫ টাকা করে ভাগ করে নেবে।
এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাসের চাঁদা ১০ টাকা বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ৪০ টাকা দুই সংগঠন ২০ টাকা করে ভাগ করে নেবে।
সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে উভয় শ্রমিক সংগঠনই চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে নির্ধারিত চাঁদার টাকা উত্তোলন করবে। তবে হরিপুর এলাকা থেকে কোনো সংগঠন আর চাঁদা উত্তোলন করবে না।
বিরোধের অবসান
বৈঠক শেষে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে দুই শ্রমিক সংগঠনের নেতারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধ মীমাংসায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, পিপিএমের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর উদ্যোগেই দুই পক্ষ আলোচনার টেবিলে বসে সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান তারা।
দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দও ভবিষ্যতে পারস্পরিক সমঝোতা ও আলোচনার মাধ্যমে পরিবহন খাতের বিরোধ নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক, ট্র্যাংক লরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে। পুলিশের উদ্যোগে দুই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চাঁদা উত্তোলন ও ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে উভয় পক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দুই পক্ষের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, পিপিএমের নেতৃত্বে দুই শ্রমিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইয়াসির আরাফাত, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
চাঁদা ভাগাভাগিতে সমঝোতা
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, লোকাল বাস থেকে উত্তোলন করা ৩০ টাকা চাঁদা দুই শ্রমিক সংগঠন ১৫ টাকা করে ভাগ করে নেবে।
এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাসের চাঁদা ১০ টাকা বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ৪০ টাকা দুই সংগঠন ২০ টাকা করে ভাগ করে নেবে।
সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে উভয় শ্রমিক সংগঠনই চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা বাসস্ট্যান্ড থেকে নির্ধারিত চাঁদার টাকা উত্তোলন করবে। তবে হরিপুর এলাকা থেকে কোনো সংগঠন আর চাঁদা উত্তোলন করবে না।
বিরোধের অবসান
বৈঠক শেষে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে দুই শ্রমিক সংগঠনের নেতারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধ মীমাংসায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, পিপিএমের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর উদ্যোগেই দুই পক্ষ আলোচনার টেবিলে বসে সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান তারা।
দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দও ভবিষ্যতে পারস্পরিক সমঝোতা ও আলোচনার মাধ্যমে পরিবহন খাতের বিরোধ নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন