জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, সেটিকে ‘শিষ্টাচারবর্জিত’ বলেছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী।
শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে সিলেটে এক ইফতার মাহফিলে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, "এই ধরনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত হয়নি। এটি শিষ্টাচারবহির্ভূত। ক্যান্টনমেন্টের ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আমাদের কাম্য নয়। এসব সিদ্ধান্ত কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের হাতেই থাকা উচিত।"
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিরোধিতা করে নাসীরুদ্দীন বলেন, "আমরা সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি। যে কেউ যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধকরণের পথে বাধা দেয়, আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাব। এতে একটুও পিছপা হব না।"
পরে নগরের আরামবাগের একটি কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির সিলেট জেলা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন তিনি।
তিনি বলেন, "গণ–অভ্যুত্থানের দুটি লড়াই এখনো বাকি। প্রথমটি হলো কাঠামোগত সংস্কারপ্রক্রিয়া, দ্বিতীয়টি আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধকরণ। যেসব শক্তি আমাদের দুই হাজার ভাই-বোনকে শহীদ করেছে, আহত করেছে, আমরা তাদের বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ দেখতে চাই। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ নেই।"
নাসীরুদ্দীন আরও বলেন, "যদি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা করা হয়— তা সে ক্যান্টনমেন্টের ভেতর হোক বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে হোক— ছাত্র-জনতা দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সেই অপচেষ্টা রুখে দেবে।"
সিলেটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে সিলেটের সমস্যাগুলো সমাধান করব। আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দর স্থাপন ও বর্তমান ফোর লেন সড়ককে আট লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।"
এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সিলেট মহানগর আমির ফখরুল ইসলাম, দৈনিক সিলেট মিররের সম্পাদক আহমেদ নূর, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, জুলাই বিপ্লবে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় কিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়েকজনের মধ্যে তর্ক শুরু হলে, কিছু সাংবাদিক সেই দৃশ্য ভিডিও করেন। এতে আয়োজকদের কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। ফলে ইফতারের আগমুহূর্তে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, সেটিকে ‘শিষ্টাচারবর্জিত’ বলেছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী।
শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে সিলেটে এক ইফতার মাহফিলে যোগদানের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, "এই ধরনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত হয়নি। এটি শিষ্টাচারবহির্ভূত। ক্যান্টনমেন্টের ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আমাদের কাম্য নয়। এসব সিদ্ধান্ত কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের হাতেই থাকা উচিত।"
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিরোধিতা করে নাসীরুদ্দীন বলেন, "আমরা সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি। যে কেউ যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধকরণের পথে বাধা দেয়, আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাব। এতে একটুও পিছপা হব না।"
পরে নগরের আরামবাগের একটি কনভেনশন সেন্টারে এনসিপির সিলেট জেলা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন তিনি।
তিনি বলেন, "গণ–অভ্যুত্থানের দুটি লড়াই এখনো বাকি। প্রথমটি হলো কাঠামোগত সংস্কারপ্রক্রিয়া, দ্বিতীয়টি আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধকরণ। যেসব শক্তি আমাদের দুই হাজার ভাই-বোনকে শহীদ করেছে, আহত করেছে, আমরা তাদের বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ দেখতে চাই। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ নেই।"
নাসীরুদ্দীন আরও বলেন, "যদি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা করা হয়— তা সে ক্যান্টনমেন্টের ভেতর হোক বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে হোক— ছাত্র-জনতা দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে সেই অপচেষ্টা রুখে দেবে।"
সিলেটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে সিলেটের সমস্যাগুলো সমাধান করব। আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দর স্থাপন ও বর্তমান ফোর লেন সড়ককে আট লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।"
এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সিলেট মহানগর আমির ফখরুল ইসলাম, দৈনিক সিলেট মিররের সম্পাদক আহমেদ নূর, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, জুলাই বিপ্লবে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
ইফতারপূর্ব আলোচনা সভায় কিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কয়েকজনের মধ্যে তর্ক শুরু হলে, কিছু সাংবাদিক সেই দৃশ্য ভিডিও করেন। এতে আয়োজকদের কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। ফলে ইফতারের আগমুহূর্তে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন