ময়মনসিংহের ভালুকায় রবিবার রাতে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের তিনজনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ভালুকা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খারুয়ালি এলাকায়। নিহতরা হলেন—ময়না বেগম (২৫), তার মেয়ে রাইসা বেগম জান্নাত (৭) ও ছেলে নিরব (২)। ঘটনার পর থেকেই নিহতের দেবর নজরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, প্রায় দেড় মাস আগে রফিকুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই নজরুল ইসলাম ওই এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। রফিকুল কাজ করতেন কাঠালি এলাকার একটি মিল কারখানায়, আর নজরুল ছিলেন অটোরিকশাচালক।
রবিবার রাত আটটার দিকে রফিকুল ইসলাম কাজে গেলে, পরদিন সকালে বাসায় ফিরে গেট তালাবদ্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে মালিককে ডেকে এনে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে দেখা যায়, একই খাটের উপর পড়ে আছে স্ত্রী, সন্তান এবং কোলের শিশুর গলাকাটা নিথর দেহ।
খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা ও রক্তমাখা বিছানার চাদর উদ্ধার করে।
ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, এটি একটি নৃশংস ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৫
ময়মনসিংহের ভালুকায় রবিবার রাতে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের তিনজনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ভালুকা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খারুয়ালি এলাকায়। নিহতরা হলেন—ময়না বেগম (২৫), তার মেয়ে রাইসা বেগম জান্নাত (৭) ও ছেলে নিরব (২)। ঘটনার পর থেকেই নিহতের দেবর নজরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, প্রায় দেড় মাস আগে রফিকুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই নজরুল ইসলাম ওই এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। রফিকুল কাজ করতেন কাঠালি এলাকার একটি মিল কারখানায়, আর নজরুল ছিলেন অটোরিকশাচালক।
রবিবার রাত আটটার দিকে রফিকুল ইসলাম কাজে গেলে, পরদিন সকালে বাসায় ফিরে গেট তালাবদ্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে মালিককে ডেকে এনে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে দেখা যায়, একই খাটের উপর পড়ে আছে স্ত্রী, সন্তান এবং কোলের শিশুর গলাকাটা নিথর দেহ।
খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা ও রক্তমাখা বিছানার চাদর উদ্ধার করে।
ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, এটি একটি নৃশংস ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন