বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬.৩ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ডিসিসিআই সভাপতি জানান, নীতিগত সুদহার ১০ শতাংশ হওয়ার প্রভাবে ঋণের প্রকৃত সুদহার বর্তমানে ১৬-১৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে তারল্য সংকটের পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় অত্যাধিক বেড়ে গেছে, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি নীতিগত সুদহার কমানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীল ও রপ্তানিমুখী খাতের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকিযুক্ত ঋণসুবিধা চালুর প্রস্তাব দেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঋণ শ্রেণিকরণ নীতিমালা (৯ মাস থেকে ৩ মাসে নামিয়ে আনা) এবং উচ্চ স্প্রেড রেটের কারণে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমছে। তাই প্রকৃত ও অনিচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পুনর্বিবেচনা এবং শ্রেণিকরণের সময়সীমা অন্তত ৬ মাস করার দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও লজিস্টিক ব্যয়ের কারণে অর্থনীতি চাপে রয়েছে।
অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে সিএসএমই ও কৃষি খাতে গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই। তিনি ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাস এবং প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬.৩ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ডিসিসিআই সভাপতি জানান, নীতিগত সুদহার ১০ শতাংশ হওয়ার প্রভাবে ঋণের প্রকৃত সুদহার বর্তমানে ১৬-১৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে তারল্য সংকটের পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় অত্যাধিক বেড়ে গেছে, যা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি নীতিগত সুদহার কমানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীল ও রপ্তানিমুখী খাতের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকিযুক্ত ঋণসুবিধা চালুর প্রস্তাব দেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঋণ শ্রেণিকরণ নীতিমালা (৯ মাস থেকে ৩ মাসে নামিয়ে আনা) এবং উচ্চ স্প্রেড রেটের কারণে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমছে। তাই প্রকৃত ও অনিচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পুনর্বিবেচনা এবং শ্রেণিকরণের সময়সীমা অন্তত ৬ মাস করার দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও লজিস্টিক ব্যয়ের কারণে অর্থনীতি চাপে রয়েছে।
অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে সিএসএমই ও কৃষি খাতে গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই। তিনি ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাস এবং প্রয়োজনীয় নীতিমালা সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন