ঢাকা, ১৭ মার্চ ২০২৬
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লোন নেওয়ার সময় দেওয়া ডিজিটাল সম্মতির সুযোগকে ব্যবহার করে ‘অটো-ডেবিট’ পদ্ধতিতে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অনেকেই দাবি করছেন, শর্তগুলো স্পষ্টভাবে বোঝানো না হওয়ায় তারা না বুঝেই সম্মতি দিয়েছেন। ফলে নির্ধারিত সময় এলে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলেই তা কেটে নেওয়া হচ্ছে।
নোয়াখালীর এক ভুক্তভোগী জানান, জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাকাউন্টে টাকা আসার পরপরই লোন কিস্তি কেটে নেওয়া হয়। “পিন চাইলে আমি আগে চিকিৎসার খরচ মেটাতে পারতাম, কিন্তু সেই সুযোগ পাইনি,” বলেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অটো-ডেবিট বৈধ হলেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পিন ছাড়া লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও গ্রাহকের পূর্ব অবগত সম্মতি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রাহকের সম্মতির ভিত্তিতে অটো-ডেবিট কার্যক্রম চালানো যায়। তবে লেনদেনের আগে গ্রাহককে পর্যাপ্ত তথ্য প্রদান এবং সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, যদি এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকে, তাহলে তা গ্রাহকের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ও আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি, কারিগরি ত্রুটির ক্ষেত্রে পিন ছাড়া লেনদেন বন্ধ করার সুযোগ না থাকাও ঝুঁকি তৈরি করছে।
তারা আরও বলেন, টাকা কাটার আগে নোটিফিকেশন, পিন বা ওটিপি যাচাইয়ের সুযোগ রাখা হলে গ্রাহকের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়বে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ঢাকা, ১৭ মার্চ ২০২৬
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লোন নেওয়ার সময় দেওয়া ডিজিটাল সম্মতির সুযোগকে ব্যবহার করে ‘অটো-ডেবিট’ পদ্ধতিতে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অনেকেই দাবি করছেন, শর্তগুলো স্পষ্টভাবে বোঝানো না হওয়ায় তারা না বুঝেই সম্মতি দিয়েছেন। ফলে নির্ধারিত সময় এলে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলেই তা কেটে নেওয়া হচ্ছে।
নোয়াখালীর এক ভুক্তভোগী জানান, জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাকাউন্টে টাকা আসার পরপরই লোন কিস্তি কেটে নেওয়া হয়। “পিন চাইলে আমি আগে চিকিৎসার খরচ মেটাতে পারতাম, কিন্তু সেই সুযোগ পাইনি,” বলেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অটো-ডেবিট বৈধ হলেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পিন ছাড়া লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও গ্রাহকের পূর্ব অবগত সম্মতি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রাহকের সম্মতির ভিত্তিতে অটো-ডেবিট কার্যক্রম চালানো যায়। তবে লেনদেনের আগে গ্রাহককে পর্যাপ্ত তথ্য প্রদান এবং সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, যদি এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকে, তাহলে তা গ্রাহকের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ও আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি, কারিগরি ত্রুটির ক্ষেত্রে পিন ছাড়া লেনদেন বন্ধ করার সুযোগ না থাকাও ঝুঁকি তৈরি করছে।
তারা আরও বলেন, টাকা কাটার আগে নোটিফিকেশন, পিন বা ওটিপি যাচাইয়ের সুযোগ রাখা হলে গ্রাহকের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়বে।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন