গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত বোমা হামলায় রোববার (২০ জুলাই) অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, নিহতদের অনেকেই সেই সময় খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
মিডল ইস্ট আই-এর খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনুস শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-মাওয়াসি এলাকায় শরণার্থীদের একটি তাঁবু লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে এক শিশুসহ সাতজন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় মোট ৫৮,৮৯৫ জন নিহত এবং ১,৪০,৯৮০ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার শিশুদের ওপর অপুষ্টির ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে। মার্চ থেকে জুনের মধ্যে ইউএনআরডব্লিউএ পরিচালিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গেছে, পাঁচ বছরের নিচে প্রায় ৭৪ হাজার শিশুর মধ্যে ৫,৫০০ জন গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে। এর মধ্যে ৮০০ শিশু চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় অনেক পরিবার এখন বিপর্যয়কর খাদ্য সংকটে রয়েছে। অনেক শিশু খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর আগেই মারা যাচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনী নতুন করে গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দাদের জরুরি স্থানত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে সাধারণ মানুষ এখন চরম আতঙ্কে রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৫
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত বোমা হামলায় রোববার (২০ জুলাই) অন্তত ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, নিহতদের অনেকেই সেই সময় খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
মিডল ইস্ট আই-এর খবরে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনুস শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-মাওয়াসি এলাকায় শরণার্থীদের একটি তাঁবু লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে এক শিশুসহ সাতজন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় মোট ৫৮,৮৯৫ জন নিহত এবং ১,৪০,৯৮০ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার শিশুদের ওপর অপুষ্টির ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে। মার্চ থেকে জুনের মধ্যে ইউএনআরডব্লিউএ পরিচালিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গেছে, পাঁচ বছরের নিচে প্রায় ৭৪ হাজার শিশুর মধ্যে ৫,৫০০ জন গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে। এর মধ্যে ৮০০ শিশু চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় অনেক পরিবার এখন বিপর্যয়কর খাদ্য সংকটে রয়েছে। অনেক শিশু খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর আগেই মারা যাচ্ছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসরায়েলি বাহিনী নতুন করে গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকার বেশ কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দাদের জরুরি স্থানত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে সাধারণ মানুষ এখন চরম আতঙ্কে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন