ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটিতে গোপনে সামরিক হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
বুধবার (১৩ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এটিই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইরানের মাটিতে সৌদি আরবের সরাসরি কোনো হামলা।
পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গত মার্চ মাসে ইরানে একাধিক গোপন হামলা চালায় সৌদি আরব। মূলত ইরান কর্তৃক সৌদি আরবের ওপর হামলার পাল্টা জবাব দিতেই রিয়াদ এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। তবে এই অভিযানে ইরানের ঠিক কোন কোন স্থাপনা বা এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও অস্পষ্ট।
অপর একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে সৌদির এই অনড় অবস্থান এবং পরবর্তী কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে বড় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয় এবং ধীরে ধীরে উত্তেজনা কমে আসে।
উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রায় এক সপ্তাহ আগেই সৌদি-ইরান উত্তেজনা প্রশমিত হতে শুরু করেছিল।
এই স্পর্শকাতর বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে ইরান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো দেশের পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটিতে গোপনে সামরিক হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
বুধবার (১৩ মে) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এটিই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইরানের মাটিতে সৌদি আরবের সরাসরি কোনো হামলা।
পশ্চিমা দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গত মার্চ মাসে ইরানে একাধিক গোপন হামলা চালায় সৌদি আরব। মূলত ইরান কর্তৃক সৌদি আরবের ওপর হামলার পাল্টা জবাব দিতেই রিয়াদ এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। তবে এই অভিযানে ইরানের ঠিক কোন কোন স্থাপনা বা এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও অস্পষ্ট।
অপর একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে সৌদির এই অনড় অবস্থান এবং পরবর্তী কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে বড় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয় এবং ধীরে ধীরে উত্তেজনা কমে আসে।
উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রায় এক সপ্তাহ আগেই সৌদি-ইরান উত্তেজনা প্রশমিত হতে শুরু করেছিল।
এই স্পর্শকাতর বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে ইরান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো দেশের পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন