পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
বুধবার (৬ মে) দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। বরং তাকে যেন বরখাস্ত করা হয়, সেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি।
মমতা ব্যানার্জি বলেন, “আমি পদত্যাগ করব না। আমাকে বরখাস্ত করা হোক। আমি চাই এ দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকুক।”
গত ৪ মে ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছেন মমতা। সাধারণত নির্বাচনের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন এবং বিজয়ী দল সরকার গঠন করে। কিন্তু মমতার এই অনড় অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্যপাল তাকে বরখাস্ত করতে পারেন অথবা সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।
তৃণমূলের অবস্থান: মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের পর থেকে বিজেপি রাজ্যজুড়ে সহিংসতা চালাচ্ছে। এই সহিংসতার বিচারের দাবিতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিজেপি এক বিবৃতিতে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তৃণমূলের কর্মীরাই বিজেপির ছদ্মবেশ ধারণ করে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা ও অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বিজেপি জানিয়েছে, ছদ্মবেশ ধারণ করে যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে উভয় পক্ষই এখন অনড় অবস্থানে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
বুধবার (৬ মে) দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। বরং তাকে যেন বরখাস্ত করা হয়, সেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি।
মমতা ব্যানার্জি বলেন, “আমি পদত্যাগ করব না। আমাকে বরখাস্ত করা হোক। আমি চাই এ দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকুক।”
গত ৪ মে ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছেন মমতা। সাধারণত নির্বাচনের পর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন এবং বিজয়ী দল সরকার গঠন করে। কিন্তু মমতার এই অনড় অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্যপাল তাকে বরখাস্ত করতে পারেন অথবা সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হতে পারে।
তৃণমূলের অবস্থান: মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের পর থেকে বিজেপি রাজ্যজুড়ে সহিংসতা চালাচ্ছে। এই সহিংসতার বিচারের দাবিতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।
অন্যদিকে, বিজেপি এক বিবৃতিতে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তৃণমূলের কর্মীরাই বিজেপির ছদ্মবেশ ধারণ করে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা ও অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বিজেপি জানিয়েছে, ছদ্মবেশ ধারণ করে যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে উভয় পক্ষই এখন অনড় অবস্থানে।

আপনার মতামত লিখুন