সন্তান লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষকে কতটা অবিশ্বাস্য পথে পরিচালিত করতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত উদাহরণ তৈরি হলো জার্মানির স্টুটগার্টে।
বিয়ের অনেক বছর পার হলেও সন্তান না হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন ডেমেট্রিয়াস ও ট্রাউট দম্পতি। পরীক্ষায় ডেমেট্রিয়াস সন্তান জন্মদানে অক্ষম প্রমাণিত হলে, স্ত্রীর আশা পূরণে তিনি বেছে নেন এক বিচিত্র পথ।
ডেমেট্রিয়াস তাঁর প্রতিবেশী যুবক ফ্রাঙ্ক মাউসের সঙ্গে একটি বিশেষ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী, ফ্রাঙ্কের মাধ্যমে ট্রাউট গর্ভবতী হলে তাঁকে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হবে। টাকার লোভে ফ্রাঙ্ক এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং টানা কয়েক মাস চেষ্টা চালান। কিন্তু তাতেও কোনো ফল না আসায় ডেমেট্রিয়াসের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। তিনি ফ্রাঙ্ককেও চিকিৎসকের কাছে পাঠান।
চিকিৎসা পরীক্ষায় দেখা যায়, ফ্রাঙ্ক নিজেও আসলে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। এই তথ্যে শুধু ডেমেট্রিয়াস নন, খোদ ফ্রাঙ্কও স্তব্ধ হয়ে যান। প্রশ্ন ওঠে, তবে ফ্রাঙ্কের নিজের ঘরে থাকা সন্তানরা কার? পরিস্থিতির চাপে ফ্রাঙ্কের স্ত্রী স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, তাঁদের সন্তানরা আসলে ফ্রাঙ্কের নয়। অর্থাৎ, নিজের সন্তানদের আসল পরিচয় নিয়ে এতদিন অন্ধকারে ছিলেন ফ্রাঙ্ক নিজেও।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ফ্রাঙ্কের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডেমেট্রিয়াস। আদালত এখন এই অস্বাভাবিক চুক্তির বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে আইনি বিশ্লেষণ চালাচ্ছে। বিশ্বাস, প্রতারণা আর অদ্ভুত সম্পর্কের এই সমীকরণ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
সন্তান লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষকে কতটা অবিশ্বাস্য পথে পরিচালিত করতে পারে, তার এক জলজ্যান্ত উদাহরণ তৈরি হলো জার্মানির স্টুটগার্টে।
বিয়ের অনেক বছর পার হলেও সন্তান না হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন ডেমেট্রিয়াস ও ট্রাউট দম্পতি। পরীক্ষায় ডেমেট্রিয়াস সন্তান জন্মদানে অক্ষম প্রমাণিত হলে, স্ত্রীর আশা পূরণে তিনি বেছে নেন এক বিচিত্র পথ।
ডেমেট্রিয়াস তাঁর প্রতিবেশী যুবক ফ্রাঙ্ক মাউসের সঙ্গে একটি বিশেষ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী, ফ্রাঙ্কের মাধ্যমে ট্রাউট গর্ভবতী হলে তাঁকে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হবে। টাকার লোভে ফ্রাঙ্ক এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং টানা কয়েক মাস চেষ্টা চালান। কিন্তু তাতেও কোনো ফল না আসায় ডেমেট্রিয়াসের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। তিনি ফ্রাঙ্ককেও চিকিৎসকের কাছে পাঠান।
চিকিৎসা পরীক্ষায় দেখা যায়, ফ্রাঙ্ক নিজেও আসলে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। এই তথ্যে শুধু ডেমেট্রিয়াস নন, খোদ ফ্রাঙ্কও স্তব্ধ হয়ে যান। প্রশ্ন ওঠে, তবে ফ্রাঙ্কের নিজের ঘরে থাকা সন্তানরা কার? পরিস্থিতির চাপে ফ্রাঙ্কের স্ত্রী স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, তাঁদের সন্তানরা আসলে ফ্রাঙ্কের নয়। অর্থাৎ, নিজের সন্তানদের আসল পরিচয় নিয়ে এতদিন অন্ধকারে ছিলেন ফ্রাঙ্ক নিজেও।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে ফ্রাঙ্কের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডেমেট্রিয়াস। আদালত এখন এই অস্বাভাবিক চুক্তির বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে আইনি বিশ্লেষণ চালাচ্ছে। বিশ্বাস, প্রতারণা আর অদ্ভুত সম্পর্কের এই সমীকরণ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন