আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার মধ্যরাতের কিছু আগে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে কাঁচা মাটি ও কাঠের তৈরি হাজারো ঘরবাড়ি মুহূর্তেই ধসে পড়ে।
কুনার প্রদেশের রাজধানী আসাদাবাদের প্রাদেশিক হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক মুলাদাদ জানান, ভূমিকম্পের পর থেকে প্রায় প্রতি পাঁচ মিনিটে একজন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তিনি বলেন, “পুরো হাসপাতাল আহত রোগীতে পূর্ণ হয়ে গেছে। গত কয়েক ঘণ্টায় ১৮৮ জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। শয্যা ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেককে মেঝেতে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।”
তিনি পরিস্থিতিকে ‘অবিশ্বাস্য সংকট’ আখ্যা দিয়ে হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
অন্যদিকে, নানগারহার প্রদেশের প্রধান হাসপাতালে প্রায় ২৫০ জন আহতকে স্থানান্তর করা হয়েছে। মুলাদাদের হাসপাতালেই চারটি মরদেহ এসেছে। এছাড়া আরও বহু মরদেহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
উদ্ধারকাজ এখনো চলমান। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার মধ্যরাতের কিছু আগে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে কাঁচা মাটি ও কাঠের তৈরি হাজারো ঘরবাড়ি মুহূর্তেই ধসে পড়ে।
কুনার প্রদেশের রাজধানী আসাদাবাদের প্রাদেশিক হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক মুলাদাদ জানান, ভূমিকম্পের পর থেকে প্রায় প্রতি পাঁচ মিনিটে একজন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তিনি বলেন, “পুরো হাসপাতাল আহত রোগীতে পূর্ণ হয়ে গেছে। গত কয়েক ঘণ্টায় ১৮৮ জন আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। শয্যা ফুরিয়ে যাওয়ায় অনেককে মেঝেতে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।”
তিনি পরিস্থিতিকে ‘অবিশ্বাস্য সংকট’ আখ্যা দিয়ে হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
অন্যদিকে, নানগারহার প্রদেশের প্রধান হাসপাতালে প্রায় ২৫০ জন আহতকে স্থানান্তর করা হয়েছে। মুলাদাদের হাসপাতালেই চারটি মরদেহ এসেছে। এছাড়া আরও বহু মরদেহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
উদ্ধারকাজ এখনো চলমান। ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন