নজর বিডি
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে রক্তপাত, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে রক্তপাত, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

নেপালে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের তুমুল বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে প্রাণহানির জেরে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রকাশ সিলওয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্স।

পদত্যাগপত্রে ওলি লিখেছেন, সাংবিধানিক পথে সংকট সমাধানের সুযোগ তৈরির জন্য তিনি দায়িত্ব ছাড়ছেন।

এর আগে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হন। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি হয়। তবে আন্দোলনকারীরা কারফিউ অমান্য করে রাস্তায় নেমে আসেন। এর প্রেক্ষাপটে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেও রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাসহ কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার বাড়িঘরে হামলা চালান।

আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি এবং ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের সন্তানদের বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব সমালোচনার জেরে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের চাপেই পদত্যাগে বাধ্য হলেন প্রধানমন্ত্রী ওলি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


নেপালে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে রক্তপাত, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

নেপালে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের তুমুল বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে প্রাণহানির জেরে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রকাশ সিলওয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্স।

পদত্যাগপত্রে ওলি লিখেছেন, সাংবিধানিক পথে সংকট সমাধানের সুযোগ তৈরির জন্য তিনি দায়িত্ব ছাড়ছেন।

এর আগে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হন। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় অনির্দিষ্টকালের কারফিউ জারি হয়। তবে আন্দোলনকারীরা কারফিউ অমান্য করে রাস্তায় নেমে আসেন। এর প্রেক্ষাপটে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেও রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাসহ কয়েকজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার বাড়িঘরে হামলা চালান।

আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি এবং ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের সন্তানদের বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব সমালোচনার জেরে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের চাপেই পদত্যাগে বাধ্য হলেন প্রধানমন্ত্রী ওলি।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত