জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাবে ১০ দেশের ‘না’ ভোট
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবে বিপুলসংখ্যক দেশ সমর্থন জানালেও ১০টি দেশ এর বিরোধিতা করেছে। প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেওয়া দেশগুলো হলো-
আমেরিকা, ইসরায়েল, আর্জেন্টিনা, হাঙ্গেরি, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরপালাউ, পাপুয়া নিউ গিনি, প্যারাগুয়ে এবং টোঙ্গা।
লাভের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘের মতে, প্রস্তাবটি গৃহীত হলে ফিলিস্তিন আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে ১০টি দেশের ‘না’ ভোট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের সংঘাত, প্রাণহানি ও মানবিক বিপর্যয়ের পরও কিছু দেশের এই বিরোধিতা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া জটিল করে তুলতে পারে।
মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনপন্থী বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এই প্রস্তাবের বিরোধিতা বিশ্ব জনমতকে হতাশ করেছে। তারা মনে করছে, জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিশ্চিত হলে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
অন্যদিকে বিরোধিতাকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহল মনে করছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ এবং বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি এই অবস্থানের পেছনে প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরোধিতা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র স্বীকৃতির পক্ষে ক্রমবর্ধমান সমর্থন ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় আনতে পারে।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাবে ১০ দেশের ‘না’ ভোট
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবে বিপুলসংখ্যক দেশ সমর্থন জানালেও ১০টি দেশ এর বিরোধিতা করেছে। প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেওয়া দেশগুলো হলো-
আমেরিকা, ইসরায়েল, আর্জেন্টিনা, হাঙ্গেরি, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরপালাউ, পাপুয়া নিউ গিনি, প্যারাগুয়ে এবং টোঙ্গা।
লাভের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘের মতে, প্রস্তাবটি গৃহীত হলে ফিলিস্তিন আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা লাভ করবে এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে ১০টি দেশের ‘না’ ভোট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের সংঘাত, প্রাণহানি ও মানবিক বিপর্যয়ের পরও কিছু দেশের এই বিরোধিতা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া জটিল করে তুলতে পারে।
মানবাধিকার সংস্থা ও ফিলিস্তিনপন্থী বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এই প্রস্তাবের বিরোধিতা বিশ্ব জনমতকে হতাশ করেছে। তারা মনে করছে, জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র স্বীকৃতি নিশ্চিত হলে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
অন্যদিকে বিরোধিতাকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহল মনে করছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ এবং বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি এই অবস্থানের পেছনে প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরোধিতা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র স্বীকৃতির পক্ষে ক্রমবর্ধমান সমর্থন ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় আনতে পারে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন