নজর বিডি

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে

জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে

জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন (COI) ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক আইনে বর্ণিত পাঁচটি গণহত্যার অপরাধের মধ্যে চারটি সংঘটিত হয়েছে।

গণহত্যার চারটি অপরাধ

প্রতিবেদনে উল্লেখিত চারটি অপরাধ হলো:

  1. কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা।

  2. গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা।

  3. গোষ্ঠীটিকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি তৈরি করা।

  4. গোষ্ঠীর প্রজনন প্রতিরোধ করা।

কমিশনের চেয়ারম্যান নাভি পিল্লাই বলেছেন, ইসরায়েলি নেতাদের প্রকাশ্য বিবৃতি ও সেনাদের আচরণ এই অপরাধগুলোর প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি নেতারা গণহত্যার পরিকল্পনা করেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন।

ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া

ইসরায়েল এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে 'বিকৃত ও মিথ্যা' আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ কমিশনের তিন সদস্যকে হামাসের প্রক্সি হিসেবে অভিযুক্ত করেছে। তারা দাবি করেছে, কমিশন হামাসের প্রচারণার ওপর নির্ভর করে প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

গাজার বর্তমান পরিস্থিতি

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার পর ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। এই হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন। এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৬৫,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজার অধিকাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জাতিসংঘের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন (COI) ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক আইনে বর্ণিত পাঁচটি গণহত্যার অপরাধের মধ্যে চারটি সংঘটিত হয়েছে।

গণহত্যার চারটি অপরাধ

প্রতিবেদনে উল্লেখিত চারটি অপরাধ হলো:

  1. কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা।

  2. গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা।

  3. গোষ্ঠীটিকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি তৈরি করা।

  4. গোষ্ঠীর প্রজনন প্রতিরোধ করা।

কমিশনের চেয়ারম্যান নাভি পিল্লাই বলেছেন, ইসরায়েলি নেতাদের প্রকাশ্য বিবৃতি ও সেনাদের আচরণ এই অপরাধগুলোর প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি নেতারা গণহত্যার পরিকল্পনা করেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন।

ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া

ইসরায়েল এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে 'বিকৃত ও মিথ্যা' আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ কমিশনের তিন সদস্যকে হামাসের প্রক্সি হিসেবে অভিযুক্ত করেছে। তারা দাবি করেছে, কমিশন হামাসের প্রচারণার ওপর নির্ভর করে প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

গাজার বর্তমান পরিস্থিতি

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার পর ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। এই হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন। এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৬৫,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজার অধিকাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দিয়েছেন।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত