ইসরায়েল সেনাবাহিনী গাজা সিটিতে “অপ্রত্যাশিত শক্তি” (unprecedented force) প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এ অভিযানের ঘোষণা দিয়ে শহরের অধিবাসীদের দক্ষিণাঞ্চলে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে তারা।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, হামাসকে নির্মূল এবং তাদের অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য এই অভূতপূর্ব সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। এ জন্য গাজা সিটির বাসিন্দাদের উপকূলবর্তী Al-Rashid Road হয়ে দক্ষিণে চলে যেতে বলা হয়েছে। আগে খোলা রাখা হয়েছিল Salah al-Din Street, তবে এখন মূল রুট হিসেবে কেবল উপকূলীয় সড়ক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
তবে বাস্তবে গাজা সিটি থেকে নিরাপদে সরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবহন সংকট, অর্থাভাব ও রাস্তায় অবরোধের কারণে হাজারো মানুষ আটকে আছেন। ইতোমধ্যেই ব্যাপক বিমান হামলা ও ট্যাঙ্ক হামলায় আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত হাসপাতাল ও সরঞ্জাম নেই, ফলে মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে জনগণকে স্থানান্তরের নির্দেশ, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্বিচার হামলা—সব মিলিয়ে যুদ্ধবিধি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এর ফলে গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল দ্রুত যুদ্ধবিরতি, মানবিক করিডর এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।
সূত্র: Arab News, Reuters, CBS News, AP News

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ইসরায়েল সেনাবাহিনী গাজা সিটিতে “অপ্রত্যাশিত শক্তি” (unprecedented force) প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এ অভিযানের ঘোষণা দিয়ে শহরের অধিবাসীদের দক্ষিণাঞ্চলে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে তারা।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, হামাসকে নির্মূল এবং তাদের অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য এই অভূতপূর্ব সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। এ জন্য গাজা সিটির বাসিন্দাদের উপকূলবর্তী Al-Rashid Road হয়ে দক্ষিণে চলে যেতে বলা হয়েছে। আগে খোলা রাখা হয়েছিল Salah al-Din Street, তবে এখন মূল রুট হিসেবে কেবল উপকূলীয় সড়ক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
তবে বাস্তবে গাজা সিটি থেকে নিরাপদে সরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবহন সংকট, অর্থাভাব ও রাস্তায় অবরোধের কারণে হাজারো মানুষ আটকে আছেন। ইতোমধ্যেই ব্যাপক বিমান হামলা ও ট্যাঙ্ক হামলায় আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত হাসপাতাল ও সরঞ্জাম নেই, ফলে মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে জনগণকে স্থানান্তরের নির্দেশ, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নির্বিচার হামলা—সব মিলিয়ে যুদ্ধবিধি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এর ফলে গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল দ্রুত যুদ্ধবিরতি, মানবিক করিডর এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।
সূত্র: Arab News, Reuters, CBS News, AP News

আপনার মতামত লিখুন