আজ ২১ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস। ১৯৮১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবস ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবাধিকার, সহনশীলতা ও অহিংসার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করে। ২০০১ সালে এ দিবসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অসহিংসতা ও অস্ত্রবিরতির দিন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের শান্তি দিবসের মূল বার্তা হলো— শান্তি অপেক্ষা করে নয়, এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সংঘাত, যুদ্ধ, বৈষম্য, জলবায়ু সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ আহ্বান জানিয়েছে:
প্রতিটি রাষ্ট্র ও সমাজকে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
হিংসা, বৈষম্য ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশেষ অনুষ্ঠানে শান্তির ঘন্টা (Peace Bell) বাজানো হয়, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর স্মরণে এবং শান্তির প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
বিভিন্ন দেশে স্কুল, কলেজ ও সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন, শান্তি মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে।
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা ও অস্ত্রবিরতির দাবিতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস এমন সময়ে এসেছে যখন—
ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা সংকট এবং আফ্রিকার নানা সংঘাতে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য ও পানির সংকট বাড়ছে, যা নতুন দ্বন্দ্ব ও সহিংসতার জন্ম দিচ্ছে।
অনলাইনে ঘৃণা, বিভাজন ও সহিংস উসকানি সামাজিক সংহতি দুর্বল করছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বার্তায় বলেছেন, “শান্তি কোনো ভবিষ্যতের স্বপ্ন নয়, এটি আজকের জরুরি প্রয়োজন। প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব এখনই শান্তির জন্য কাজ করা।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
আজ ২১ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস। ১৯৮১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবস ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবাধিকার, সহনশীলতা ও অহিংসার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করে। ২০০১ সালে এ দিবসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অসহিংসতা ও অস্ত্রবিরতির দিন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের শান্তি দিবসের মূল বার্তা হলো— শান্তি অপেক্ষা করে নয়, এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সংঘাত, যুদ্ধ, বৈষম্য, জলবায়ু সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ আহ্বান জানিয়েছে:
প্রতিটি রাষ্ট্র ও সমাজকে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
হিংসা, বৈষম্য ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে হবে।
বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশেষ অনুষ্ঠানে শান্তির ঘন্টা (Peace Bell) বাজানো হয়, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর স্মরণে এবং শান্তির প্রতি অঙ্গীকার প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
বিভিন্ন দেশে স্কুল, কলেজ ও সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন, শান্তি মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে।
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা ও অস্ত্রবিরতির দাবিতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস এমন সময়ে এসেছে যখন—
ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা সংকট এবং আফ্রিকার নানা সংঘাতে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য ও পানির সংকট বাড়ছে, যা নতুন দ্বন্দ্ব ও সহিংসতার জন্ম দিচ্ছে।
অনলাইনে ঘৃণা, বিভাজন ও সহিংস উসকানি সামাজিক সংহতি দুর্বল করছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বার্তায় বলেছেন, “শান্তি কোনো ভবিষ্যতের স্বপ্ন নয়, এটি আজকের জরুরি প্রয়োজন। প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব এখনই শান্তির জন্য কাজ করা।”

আপনার মতামত লিখুন