গাজা সিটিতে ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেনারা জানিয়েছে, এই অভিযানে তারা “অপ্রত্যাশিত শক্তি” (unprecedented force) প্রয়োগ করবে। এতে ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান ও ভারী অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি ধ্বংসাত্মক কৌশল নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গাজার কেন্দ্রীয় এলাকাজুড়ে সেনারা প্রবল গোলাবর্ষণ চালাচ্ছে। একই সঙ্গে বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো হামাসের সামরিক কাঠামো ধ্বংস করা এবং গাজাকে “হুমকি হিসেবে” ব্যবহার ঠেকানো।
অভিযান শুরুর পর থেকে গাজার মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। খাদ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অন্তত দুটি হাসপাতাল—আল-রান্তিসি শিশু হাসপাতাল ও আই হাসপাতাল—ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ এ অবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাস্তুচ্যুতির ঢল নেমেছে। হাজারো মানুষ গাজার উত্তর ও কেন্দ্রীয় এলাকা ছেড়ে দক্ষিণে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহল অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, নিরাপদ করিডর এবং মানবিক সহায়তা প্রবাহের আহ্বান জানিয়েছে। তবে ইসরায়েল বলেছে, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গাজা সিটিতে ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেনারা জানিয়েছে, এই অভিযানে তারা “অপ্রত্যাশিত শক্তি” (unprecedented force) প্রয়োগ করবে। এতে ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান ও ভারী অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি ধ্বংসাত্মক কৌশল নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গাজার কেন্দ্রীয় এলাকাজুড়ে সেনারা প্রবল গোলাবর্ষণ চালাচ্ছে। একই সঙ্গে বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো হামাসের সামরিক কাঠামো ধ্বংস করা এবং গাজাকে “হুমকি হিসেবে” ব্যবহার ঠেকানো।
অভিযান শুরুর পর থেকে গাজার মানবিক পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। খাদ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অন্তত দুটি হাসপাতাল—আল-রান্তিসি শিশু হাসপাতাল ও আই হাসপাতাল—ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ এ অবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা না নেওয়ায় বাস্তুচ্যুতির ঢল নেমেছে। হাজারো মানুষ গাজার উত্তর ও কেন্দ্রীয় এলাকা ছেড়ে দক্ষিণে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহল অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, নিরাপদ করিডর এবং মানবিক সহায়তা প্রবাহের আহ্বান জানিয়েছে। তবে ইসরায়েল বলেছে, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন