ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ – দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে অনুষ্ঠিত বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘কুরাক’ কে জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার পরিচালক **Erke DZHUMAKMATOVA, Emil ও ATAGELDIEV-এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
ফেস্টিভ্যালের ‘ভিশন এশিয়া’ শাখায় প্রতিযোগী চলচ্চিত্রের মধ্য থেকে ‘কুরাক’ নির্বাচিত হয়। সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার ও অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিষয়বস্তু বিবেচনা করে এই পুরস্কার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রবর্তন করা হয়েছে। এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণে প্রবর্তিত হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রায় ১ লাখ ওন।
‘কুরাক’ চলচ্চিত্রটি ২০২০ সালের বিশকেকের নারীবিক্ষোভের দৃশ্য দিয়ে শুরু হয়, যেখানে পুরুষদের হামলা ও পুলিশের গ্রেপ্তারে সমাবেশ ভেঙে যায়। এরপর কাহিনি প্রবাহিত হয় দুই তরুণী—গোপনে ওয়েবক্যাম মডেল মীরিম এবং সদ্য প্রেমে পড়া নারগিজা—এর জীবনের মাধ্যমে। তাদের গল্পের সঙ্গে মিশে যায় নারীর অধিকার আন্দোলন, প্রদর্শনী ও পারফরম্যান্স আর্টের আর্কাইভ ফুটেজ, যা বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
চলচ্চিত্রের নামের মতোই—‘কুরাক’ (কিরগিজ ভাষায় প্যাচওয়ার্ক)—দেখায় কীভাবে ভিন্ন ভিন্ন নারীর কণ্ঠস্বর একত্রিত হয়ে নিপীড়নের প্রাচীর ভেদ করে শক্তিশালী আওয়াজ গড়ে তোলে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ – দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে অনুষ্ঠিত বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘কুরাক’ কে জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার পরিচালক **Erke DZHUMAKMATOVA, Emil ও ATAGELDIEV-এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
ফেস্টিভ্যালের ‘ভিশন এশিয়া’ শাখায় প্রতিযোগী চলচ্চিত্রের মধ্য থেকে ‘কুরাক’ নির্বাচিত হয়। সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার ও অসাম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের বিষয়বস্তু বিবেচনা করে এই পুরস্কার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রবর্তন করা হয়েছে। এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণে প্রবর্তিত হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রায় ১ লাখ ওন।
‘কুরাক’ চলচ্চিত্রটি ২০২০ সালের বিশকেকের নারীবিক্ষোভের দৃশ্য দিয়ে শুরু হয়, যেখানে পুরুষদের হামলা ও পুলিশের গ্রেপ্তারে সমাবেশ ভেঙে যায়। এরপর কাহিনি প্রবাহিত হয় দুই তরুণী—গোপনে ওয়েবক্যাম মডেল মীরিম এবং সদ্য প্রেমে পড়া নারগিজা—এর জীবনের মাধ্যমে। তাদের গল্পের সঙ্গে মিশে যায় নারীর অধিকার আন্দোলন, প্রদর্শনী ও পারফরম্যান্স আর্টের আর্কাইভ ফুটেজ, যা বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
চলচ্চিত্রের নামের মতোই—‘কুরাক’ (কিরগিজ ভাষায় প্যাচওয়ার্ক)—দেখায় কীভাবে ভিন্ন ভিন্ন নারীর কণ্ঠস্বর একত্রিত হয়ে নিপীড়নের প্রাচীর ভেদ করে শক্তিশালী আওয়াজ গড়ে তোলে।

আপনার মতামত লিখুন