পোর্টল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প
অভিবাসী বন্দিশিবির ঘিরে বিক্ষোভ ঠেকাতে পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের হুমকি, ডেমোক্র্যাট ও গভর্নরের তীব্র আপত্তি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী বন্দিশিবির ঘিরে চলা বিক্ষোভ ঠেকাতে পোর্টল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রয়োজনে পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের অনুমতিও দিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।
ট্রাম্প বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অ্যান্টিফা ও দেশীয় সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কেন্দ্রগুলোকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে। ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে তিনি পোর্টল্যান্ডকে "যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর" বলে উল্লেখ করেন।
এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে সেনা মোতায়েনের পরিধি আরও বিস্তৃত করল ট্রাম্প প্রশাসন। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে তার সরকারের কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। তাদের মতে, পোর্টল্যান্ডে ফেডারেল সেনা পাঠানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। ওরেগনের গভর্নর টিনা কোটেকও বলেছেন, পোর্টল্যান্ডে কোনো জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি নেই। “আমাদের সম্প্রদায়গুলো নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশে রয়েছে,” তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন। তার দাবি, এ ধরনের সেনা মোতায়েন হবে ক্ষমতার অপব্যবহার।
এদিকে, ট্রাম্প প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিলেও তিনি কতদূর যেতে চান তা স্পষ্ট করেননি। তার পোস্টে উল্লেখ নেই, তিনি ন্যাশনাল গার্ড নাকি নিয়মিত সেনা মোতায়েন করবেন। এছাড়া "পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের" অর্থ কী, সেটিও পরিষ্কার নয়।
পোর্টল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অভিবাসী বন্দিশিবির ঘিরে বিক্ষোভ ঠেকাতে পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের হুমকি, ডেমোক্র্যাট ও গভর্নরের তীব্র আপত্তি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী বন্দিশিবির ঘিরে চলা বিক্ষোভ ঠেকাতে পোর্টল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রয়োজনে পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের অনুমতিও দিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।
ট্রাম্প বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অ্যান্টিফা ও দেশীয় সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কেন্দ্রগুলোকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে। ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে তিনি পোর্টল্যান্ডকে "যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর" বলে উল্লেখ করেন।
এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে সেনা মোতায়েনের পরিধি আরও বিস্তৃত করল ট্রাম্প প্রশাসন। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে তার সরকারের কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা। তাদের মতে, পোর্টল্যান্ডে ফেডারেল সেনা পাঠানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। ওরেগনের গভর্নর টিনা কোটেকও বলেছেন, পোর্টল্যান্ডে কোনো জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি নেই। “আমাদের সম্প্রদায়গুলো নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশে রয়েছে,” তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন। তার দাবি, এ ধরনের সেনা মোতায়েন হবে ক্ষমতার অপব্যবহার।
এদিকে, ট্রাম্প প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিলেও তিনি কতদূর যেতে চান তা স্পষ্ট করেননি। তার পোস্টে উল্লেখ নেই, তিনি ন্যাশনাল গার্ড নাকি নিয়মিত সেনা মোতায়েন করবেন। এছাড়া "পূর্ণ শক্তি ব্যবহারের" অর্থ কী, সেটিও পরিষ্কার নয়।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন