ইসরায়েলি হামলা ও ইউরোপের পুনঃনিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে আক্রমণাত্মক কৌশল ঘোষণা করেছে ইরান। এর অংশ হিসেবে দেশটি শত শত হাজার আফগান শরণার্থীকে ইরাক ও তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ ও ইউরোপের ‘স্ন্যাপব্যাক’ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর ইরানকে আরও “আক্রমণাত্মক ও অনিশ্চিত” কৌশল নিতে হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মিসাইল কর্মসূচি বিস্তার, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার, জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শকদের সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত এবং ১৮ অক্টোবর জাতিসংঘে নতুন নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠনের বিরোধিতা করবে তেহরান।
একসময় ইরানকে প্রায় ৬ মিলিয়ন আফগান শরণার্থী আশ্রয় দিতে হয়েছিল। তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই ১০ লাখ শরণার্থীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে আফগানিস্তানে। শুধু জুন মাসে ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই প্রায় ৫ লাখ আফগানকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে অন্তত ২০ লাখ আফগান ইরানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরই ৪ মিলিয়ন পর্যন্ত শরণার্থীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
কূটনৈতিক অঙ্গনে ইরান ইতোমধ্যেই ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য থেকে রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনায় নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও, এর বিনিময়ে স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল তেহরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যদি বাস্তবেই শরণার্থীদের পশ্চিম সীমান্তে পাঠায়, তবে ইউরোপে নতুন করে বড় ধরনের শরণার্থী সংকট তৈরি হতে পারে। এর আগে সিরীয় শরণার্থী ইস্যুতে একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৫
ইসরায়েলি হামলা ও ইউরোপের পুনঃনিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে আক্রমণাত্মক কৌশল ঘোষণা করেছে ইরান। এর অংশ হিসেবে দেশটি শত শত হাজার আফগান শরণার্থীকে ইরাক ও তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ ও ইউরোপের ‘স্ন্যাপব্যাক’ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর ইরানকে আরও “আক্রমণাত্মক ও অনিশ্চিত” কৌশল নিতে হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মিসাইল কর্মসূচি বিস্তার, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার, জাতিসংঘ অস্ত্র পরিদর্শকদের সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত এবং ১৮ অক্টোবর জাতিসংঘে নতুন নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠনের বিরোধিতা করবে তেহরান।
একসময় ইরানকে প্রায় ৬ মিলিয়ন আফগান শরণার্থী আশ্রয় দিতে হয়েছিল। তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই ১০ লাখ শরণার্থীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে আফগানিস্তানে। শুধু জুন মাসে ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই প্রায় ৫ লাখ আফগানকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে অন্তত ২০ লাখ আফগান ইরানে অবৈধভাবে অবস্থান করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরই ৪ মিলিয়ন পর্যন্ত শরণার্থীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
কূটনৈতিক অঙ্গনে ইরান ইতোমধ্যেই ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য থেকে রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনায় নাতানজ পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও, এর বিনিময়ে স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল তেহরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যদি বাস্তবেই শরণার্থীদের পশ্চিম সীমান্তে পাঠায়, তবে ইউরোপে নতুন করে বড় ধরনের শরণার্থী সংকট তৈরি হতে পারে। এর আগে সিরীয় শরণার্থী ইস্যুতে একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান।

আপনার মতামত লিখুন