এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ষষ্ঠ একক নিবন্ধন হিসেবে গণ্য হলো। এর আগে বাংলাদেশের পাঁচটি অনন্য সাংস্কৃতিক উপাদানকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে—
বাউল সংগীত (২০০৮),
জামদানি বুনন (২০১৩),
পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬),
শীতল পাটি (২০১৭),
রিকশা পেইন্টিং (২০২৩)।
চলমান সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের দলনেতা এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদের সভাপতি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা বলেন, “এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য একটি অসামান্য গৌরবের বিষয়। দুই শতকেরও বেশি সময় ধরে টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেওয়া হলো। টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের সকল নারীর নিত্য পরিধেয়, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।”
রাষ্ট্রদূত এই অর্জন বাংলাদেশের সকল তাঁতি ও নারীদের প্রতি উৎসর্গ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি অর্জনের মতো বাংলাদেশের বহু অপরিমেয় সাংস্কৃতিক উপাদান রয়েছে। নথি প্রস্তুত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কনভেনশন সংক্রান্ত অভিজ্ঞ জনবল তৈরি করার মাধ্যমে আরও অনেক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানের সুযোগ রয়েছে।”
এর আগে, ৭ ডিসেম্বর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের চলমান ২০তম সভা উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর নবনিযুক্ত মহাপরিচালক খালেদ এল এনানিও যোগ দেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫
এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ষষ্ঠ একক নিবন্ধন হিসেবে গণ্য হলো। এর আগে বাংলাদেশের পাঁচটি অনন্য সাংস্কৃতিক উপাদানকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে—
বাউল সংগীত (২০০৮),
জামদানি বুনন (২০১৩),
পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬),
শীতল পাটি (২০১৭),
রিকশা পেইন্টিং (২০২৩)।
চলমান সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের দলনেতা এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদের সভাপতি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা বলেন, “এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য একটি অসামান্য গৌরবের বিষয়। দুই শতকেরও বেশি সময় ধরে টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেওয়া হলো। টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের সকল নারীর নিত্য পরিধেয়, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।”
রাষ্ট্রদূত এই অর্জন বাংলাদেশের সকল তাঁতি ও নারীদের প্রতি উৎসর্গ করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি অর্জনের মতো বাংলাদেশের বহু অপরিমেয় সাংস্কৃতিক উপাদান রয়েছে। নথি প্রস্তুত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কনভেনশন সংক্রান্ত অভিজ্ঞ জনবল তৈরি করার মাধ্যমে আরও অনেক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানের সুযোগ রয়েছে।”
এর আগে, ৭ ডিসেম্বর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের চলমান ২০তম সভা উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর নবনিযুক্ত মহাপরিচালক খালেদ এল এনানিও যোগ দেন।

আপনার মতামত লিখুন