হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হুসাম বদরান মধ্যস্থতাকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াতে হবে যাতে তারা যুদ্ধবিরতির মৌলিক প্রতিশ্রুতিগুলো পালন করে। তিনি বলেন, ইসরায়েল চুক্তি না মানলে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করা সম্ভব নয়।
২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রধান লক্ষ্য ছিল—
গাজায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে ইসরায়েলে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি
গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর আংশিক প্রত্যাহার
তবে পরবর্তী ধাপ—গাজা প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কাঠামো, সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন—এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন—
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে
আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ২০২৬ সালের শুরুতে মোতায়েন হতে পারে
কোন দেশগুলো অংশ নেবে ও নেতৃত্ব দেবে—এ নিয়ে আলোচনা চলছে
গাজার স্থানীয় জনগণ নিয়ে নতুন পুলিশ বাহিনী গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে
গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ থেকে টনি ব্লেয়ারকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ইসরায়েলের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির গাজার ভেতরে ‘হলুদ রেখা’কে নতুন সীমান্ত দাবি করলেও জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলকে গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার কথা রয়েছে, তবে এর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আংশিক প্রত্যাহারের পরও ইসরায়েল গাজার প্রায় ৫৮ শতাংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনুসে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে। হতাহতের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় ভবনধ্বংসের কাজও চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার বাহিনী।
গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে:
“এই হামলাগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতির মানবিক কাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত—
গাজায় অন্তত ৭০,৩৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত
১,৭১,০৬৪ জন আহত
ইসরায়েলের তথ্যমতে—২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ১,১৩৯ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি জিম্মি হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হুসাম বদরান মধ্যস্থতাকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াতে হবে যাতে তারা যুদ্ধবিরতির মৌলিক প্রতিশ্রুতিগুলো পালন করে। তিনি বলেন, ইসরায়েল চুক্তি না মানলে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করা সম্ভব নয়।
২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রধান লক্ষ্য ছিল—
গাজায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে ইসরায়েলে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি
গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর আংশিক প্রত্যাহার
তবে পরবর্তী ধাপ—গাজা প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কাঠামো, সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন—এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন—
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে
আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ২০২৬ সালের শুরুতে মোতায়েন হতে পারে
কোন দেশগুলো অংশ নেবে ও নেতৃত্ব দেবে—এ নিয়ে আলোচনা চলছে
গাজার স্থানীয় জনগণ নিয়ে নতুন পুলিশ বাহিনী গঠনের কথাও ভাবা হচ্ছে
গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ থেকে টনি ব্লেয়ারকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
ইসরায়েলের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির গাজার ভেতরে ‘হলুদ রেখা’কে নতুন সীমান্ত দাবি করলেও জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইসরায়েলকে গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার কথা রয়েছে, তবে এর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আংশিক প্রত্যাহারের পরও ইসরায়েল গাজার প্রায় ৫৮ শতাংশ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
ইসরায়েলি বাহিনী খান ইউনুসে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে। হতাহতের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় ভবনধ্বংসের কাজও চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার বাহিনী।
গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে:
“এই হামলাগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধবিরতির মানবিক কাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত—
গাজায় অন্তত ৭০,৩৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত
১,৭১,০৬৪ জন আহত
ইসরায়েলের তথ্যমতে—২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ১,১৩৯ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি জিম্মি হয়।

আপনার মতামত লিখুন