প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, রোববার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিব এই শোক ও সমবেদনা জানান।
ফোনালাপে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “গভীর সমবেদনা জানাতে আমি ফোন করেছি। এই ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত।” একই সঙ্গে তিনি হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে নিহত শান্তিরক্ষীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি তাঁর সমবেদনা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি অনুরোধ জানান।
এ সময় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মৃত্যুতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আহত সেনাসদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত উন্নতমানের হাসপাতালে স্থানান্তর এবং নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের প্রতি অনুরোধ জানান।
জবাবে আন্তোনিও গুতেরেস জানান, আহত শান্তিরক্ষীদের প্রথমে সুদানের একটি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের উদ্যোগের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।
ফোনালাপের একপর্যায়ে অধ্যাপক ইউনূস গত রমজানে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন। এ সময় দুই নেতা বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে আশ্বস্ত করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জবাবে আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আস্থা প্রকাশ করেন।
আপনার মতামত লিখুন