কুষ্টিয়াকুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক কৃষকের ১০ শতাংশ জমির পেঁয়াজের চারা কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা..স্টাফ রিপোর্টার-নাহিদ হোসেন শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া মাঠে এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম বাদশা হোসেন (৫৫)। তিনি জোতমোড়া গ্রামের মৃত হারেজ আলী শেখের ছেলে। জানা গেছে, বাদশা মিয়া তার ১০ শতাংশ জমিতে তিন কেজি পেঁয়াজের বীজ বপন করেছিলেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এই চারাগুলো তিন বিঘা জমিতে রোপণ করার কথা ছিল এবং সেই অনুযায়ী জমিও প্রস্তুত করা হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে মাঠে গিয়ে তিনি দেখেন, তার বীজতলার প্রায় ৯০ শতাংশ চারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাদশা হোসেন বলেন—
বীজ, চাষ আর পরিচর্চায় প্রায় ৪৫-৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গত বছর এই চারা দিয়ে তিন বিঘা জমিতে চাষ করে ৩০০ মণ পেঁয়াজ পেয়েছিলাম, যা কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এবার আমি পেঁয়াজ লাগাব কীভাবে? কে বা কারা আমার এত বড় ক্ষতি করল?
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে খবর পেয়ে তারা মাঠে গিয়ে চারা কাটা অবস্থায় দেখেন। রাতের আঁধারে করা এই জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি তুলেছেন।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান— *কৃষকের পেঁয়াজ খেতের চারা কেটে ফেলার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।*
কুষ্টিয়াকুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক কৃষকের ১০ শতাংশ জমির পেঁয়াজের চারা কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা..স্টাফ রিপোর্টার-নাহিদ হোসেন শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া মাঠে এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম বাদশা হোসেন (৫৫)। তিনি জোতমোড়া গ্রামের মৃত হারেজ আলী শেখের ছেলে। জানা গেছে, বাদশা মিয়া তার ১০ শতাংশ জমিতে তিন কেজি পেঁয়াজের বীজ বপন করেছিলেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এই চারাগুলো তিন বিঘা জমিতে রোপণ করার কথা ছিল এবং সেই অনুযায়ী জমিও প্রস্তুত করা হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার সকালে মাঠে গিয়ে তিনি দেখেন, তার বীজতলার প্রায় ৯০ শতাংশ চারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাদশা হোসেন বলেন—
বীজ, চাষ আর পরিচর্চায় প্রায় ৪৫-৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গত বছর এই চারা দিয়ে তিন বিঘা জমিতে চাষ করে ৩০০ মণ পেঁয়াজ পেয়েছিলাম, যা কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এবার আমি পেঁয়াজ লাগাব কীভাবে? কে বা কারা আমার এত বড় ক্ষতি করল?
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে খবর পেয়ে তারা মাঠে গিয়ে চারা কাটা অবস্থায় দেখেন। রাতের আঁধারে করা এই জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি তুলেছেন।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান— *কৃষকের পেঁয়াজ খেতের চারা কেটে ফেলার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।*
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন