আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Homeland Security Secretary) ক্রিস্টি নোম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ক্রিস্টি নোম তাঁর বার্তায় ট্যাংকারটি জব্দের পেছনে দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন: ১. মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জ্বালানি তেলের অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া। ২. তেল পরিবহনের আড়ালে মাদক পাচারের কাজে জাহাজটিকে ব্যবহার করা।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন:
"অবৈধ তেল বাণিজ্য এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে। আমরা আপনাদের খুঁজে বের করব এবং থামাব।"
২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি করেছেন। ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ভেনেজুয়েলার কোনো জাহাজ বন্দর ছাড়লে বা প্রবেশের চেষ্টা করলে তা তাৎক্ষণিক জব্দ করা হবে। এই ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় দ্বিতীয় এই জাহাজ জব্দের ঘটনা ঘটল। এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর প্রথম জাহাজটি জব্দ করা হয়েছিল।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এই অভিযানের বিস্তারিত জানতে মার্কিন কোস্টগার্ড এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোনো কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।
২০১৭ সাল থেকেই ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যে রাজনৈতিক বৈরিতা চরমে। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদকে ‘চুরি করা সম্পদ’ হিসেবে অভিহিত করে আসছে। এই ধারাবাহিক জাহাজ জব্দের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Homeland Security Secretary) ক্রিস্টি নোম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ক্রিস্টি নোম তাঁর বার্তায় ট্যাংকারটি জব্দের পেছনে দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন: ১. মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জ্বালানি তেলের অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া। ২. তেল পরিবহনের আড়ালে মাদক পাচারের কাজে জাহাজটিকে ব্যবহার করা।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন:
"অবৈধ তেল বাণিজ্য এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে। আমরা আপনাদের খুঁজে বের করব এবং থামাব।"
২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি করেছেন। ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ভেনেজুয়েলার কোনো জাহাজ বন্দর ছাড়লে বা প্রবেশের চেষ্টা করলে তা তাৎক্ষণিক জব্দ করা হবে। এই ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় দ্বিতীয় এই জাহাজ জব্দের ঘটনা ঘটল। এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর প্রথম জাহাজটি জব্দ করা হয়েছিল।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এই অভিযানের বিস্তারিত জানতে মার্কিন কোস্টগার্ড এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোনো কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।
২০১৭ সাল থেকেই ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যে রাজনৈতিক বৈরিতা চরমে। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদকে ‘চুরি করা সম্পদ’ হিসেবে অভিহিত করে আসছে। এই ধারাবাহিক জাহাজ জব্দের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন