নজরবিডি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. আবুল ফয়েজ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন: ১. এস এম শামসুল আরেফিন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ২. মোহাম্মদ মনসুরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, রিল্যাক্স পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড। ৩. সোয়াইবুল ইসলাম, এমডি, রিল্যাক্স পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড।
মামলার বিবরণ: এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কোনো ধরনের রেকর্ডপত্র ছাড়াই এবং বোর্ড সভার অনুমোদন না নিয়ে উত্তরা ফাইন্যান্স থেকে ৩০ লাখ টাকা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেন। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অর্জিত সুদসহ আত্মসাৎকৃত অর্থের বর্তমান পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৮ টাকা।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
নজরবিডি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. আবুল ফয়েজ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন: ১. এস এম শামসুল আরেফিন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ২. মোহাম্মদ মনসুরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, রিল্যাক্স পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড। ৩. সোয়াইবুল ইসলাম, এমডি, রিল্যাক্স পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেড।
মামলার বিবরণ: এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কোনো ধরনের রেকর্ডপত্র ছাড়াই এবং বোর্ড সভার অনুমোদন না নিয়ে উত্তরা ফাইন্যান্স থেকে ৩০ লাখ টাকা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেন। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অর্জিত সুদসহ আত্মসাৎকৃত অর্থের বর্তমান পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৮ টাকা।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন