নজরবিডি
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর নোডার উপকূলে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৯.৩ কিলোমিটার। সমুদ্র উপকূলে ভূমিকম্পের কেন্দ্র হলেও জাপানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এর ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
গত দুই মাসে জাপানে এটি চতুর্থ ভূমিকম্প। এর আগে:
কিউশু প্রদেশের তোকারা দ্বীপে ৫.৬ ও ৪.৮ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়।
হনশু প্রদেশে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩০ জন আহত হন এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ভৌগোলিকভাবে জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অব ফায়ার' বা আগ্নেয় মেখলার ওপর অবস্থিত। ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, বিশ্বের মোট ভূমিকম্পের ২০ শতাংশই জাপানে ঘটে থাকে। ২০১১ সালের ৯ মাত্রার প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে জাপানে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর নোডার উপকূলে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৯.৩ কিলোমিটার। সমুদ্র উপকূলে ভূমিকম্পের কেন্দ্র হলেও জাপানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এর ফলে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
গত দুই মাসে জাপানে এটি চতুর্থ ভূমিকম্প। এর আগে:
কিউশু প্রদেশের তোকারা দ্বীপে ৫.৬ ও ৪.৮ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়।
হনশু প্রদেশে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩০ জন আহত হন এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ভৌগোলিকভাবে জাপান প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অব ফায়ার' বা আগ্নেয় মেখলার ওপর অবস্থিত। ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, বিশ্বের মোট ভূমিকম্পের ২০ শতাংশই জাপানে ঘটে থাকে। ২০১১ সালের ৯ মাত্রার প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে জাপানে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

আপনার মতামত লিখুন