ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
আরেক চাষি মো. কামাল হোসেন জানান, সরিষা ফুলের মধু অত্যন্ত বিশুদ্ধ। প্রতি কেজি মধু তারা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে এই সংগ্রহের কাজ। আগামী ৩০ তারিখের পর থেকে এখান থেকে পুরোদমে মধু আহরণ শুরু হবে।
সরাসরি মধু কেনায় ক্রেতাদের আগ্রহ—
দোকানের প্রক্রিয়াজাত মধুর চেয়ে চোখের সামনে সংগ্রহ করা তাজা মধুর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। মধু দেখতে আসা সাজেদুর রহমান ও মোখলেছুর রহমান জানান, বাজারের মধুতে অনেক সময় ভেজাল থাকার ভয় থাকে, কিন্তু মৌচাষিদের কাছ থেকে সরাসরি কেনা মধু নিঃসন্দেহে খাঁটি।
কৃষি বিভাগের পর্যবেক্ষণ—
গাংনী উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। তিনি বলেন, “মধু স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বাক্স পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে মধু সংগ্রহ একদিকে যেমন চাষিদের লাভবান করছে, অন্যদিকে মৌমাছির পরাগায়নের ফলে সরিষার ফলনও ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।”
মৌমাছির গুনগুন শব্দ আর সরিষা ফুলের ঘ্রাণে তেরাইল এলাকার প্রকৃতি এখন এক ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। সরিষা ফুল শেষ হলে মৌচাষিরা অন্য কোনো ফসলের সন্ধানে নতুন এলাকায় পাড়ি দেবেন। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি: নজরবিডি ডট কম[/caption]
আরেক চাষি মো. কামাল হোসেন জানান, সরিষা ফুলের মধু অত্যন্ত বিশুদ্ধ। প্রতি কেজি মধু তারা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে এই সংগ্রহের কাজ। আগামী ৩০ তারিখের পর থেকে এখান থেকে পুরোদমে মধু আহরণ শুরু হবে।
সরাসরি মধু কেনায় ক্রেতাদের আগ্রহ—
দোকানের প্রক্রিয়াজাত মধুর চেয়ে চোখের সামনে সংগ্রহ করা তাজা মধুর প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। মধু দেখতে আসা সাজেদুর রহমান ও মোখলেছুর রহমান জানান, বাজারের মধুতে অনেক সময় ভেজাল থাকার ভয় থাকে, কিন্তু মৌচাষিদের কাছ থেকে সরাসরি কেনা মধু নিঃসন্দেহে খাঁটি।
কৃষি বিভাগের পর্যবেক্ষণ—
গাংনী উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। তিনি বলেন, “মধু স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বাক্স পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে মধু সংগ্রহ একদিকে যেমন চাষিদের লাভবান করছে, অন্যদিকে মৌমাছির পরাগায়নের ফলে সরিষার ফলনও ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।”
মৌমাছির গুনগুন শব্দ আর সরিষা ফুলের ঘ্রাণে তেরাইল এলাকার প্রকৃতি এখন এক ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। সরিষা ফুল শেষ হলে মৌচাষিরা অন্য কোনো ফসলের সন্ধানে নতুন এলাকায় পাড়ি দেবেন। 
আপনার মতামত লিখুন