আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সার্বভৌম ভূখণ্ড এবং এটি কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের দখলের বিষয় হতে পারে না।
মেটে ফ্রেডরিকসেন বলেন, “ন্যাটো একটি প্রতিরক্ষা জোট, যার মূল নীতি হলো—এক সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই তার পাশে দাঁড়াবে। যদি কোনো ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রই অন্য সদস্যের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তাহলে জোটের সেই নীতিই প্রশ্নের মুখে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাটোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।”
গ্রিনল্যান্ড উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বরফ গলার ফলে নতুন নৌপথ, খনিজ সম্পদ এবং সামরিক নজরদারির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় অঞ্চলটি বিশ্বশক্তিগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ প্রকাশ্যে ডেনমার্কের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্ক সরকারেরই রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে তা শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, বরং পুরো ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও বিশ্বাসকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডে কোনো তাৎক্ষণিক সামরিক হামলার আশঙ্কা না থাকলেও, রাজনৈতিক বক্তব্য ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তুলেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের সার্বভৌম ভূখণ্ড এবং এটি কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের দখলের বিষয় হতে পারে না।
মেটে ফ্রেডরিকসেন বলেন, “ন্যাটো একটি প্রতিরক্ষা জোট, যার মূল নীতি হলো—এক সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই তার পাশে দাঁড়াবে। যদি কোনো ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রই অন্য সদস্যের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তাহলে জোটের সেই নীতিই প্রশ্নের মুখে পড়বে। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাটোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।”
গ্রিনল্যান্ড উত্তর মেরু অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এর ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বরফ গলার ফলে নতুন নৌপথ, খনিজ সম্পদ এবং সামরিক নজরদারির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় অঞ্চলটি বিশ্বশক্তিগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ প্রকাশ্যে ডেনমার্কের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্ক সরকারেরই রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে তা শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নয়, বরং পুরো ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও বিশ্বাসকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডে কোনো তাৎক্ষণিক সামরিক হামলার আশঙ্কা না থাকলেও, রাজনৈতিক বক্তব্য ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন