নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঘটনার শুরু নেপালের ধানুশা জেলায়। সেখানে দুই ব্যক্তির একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা ওই দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেও এর পরপরই কামালার সাখুয়া মারান এলাকায় একটি মসজিদে ভাঙচুর চালায় একদল দুর্বৃত্ত।
এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে পারসা জেলার বীরগঞ্জ শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও থানায় ভাঙচুর চালালে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে বীরগঞ্জ শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি রয়েছে।
নেপালের পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) নেপাল সীমান্ত কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
মৈত্রী সেতু: নেপাল ও ভারতকে সংযুক্তকারী এই প্রধান পয়েন্টে বিশেষ নজরদারি ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে।
টহল জোরদার: সহাদেওয়া, মহাদেওয়া ও পান্তোকাসহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিএসএফ ও এসএসবি’র টহল বাড়ানো হয়েছে।
তল্লাশি: জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে পার হতে দেওয়া হচ্ছে না এবং সীমান্ত পার হওয়া প্রত্যেকের ওপর কঠোর তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
নেপালে অস্থিরতা ও দোকানপাট বন্ধ থাকায় সেখানে কর্মরত ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। রাকেশ নামে এক শ্রমিক জানান, বীরগঞ্জের পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে এবং বাজারঘাট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা নেপালে ফিরবেন না বলে জানিয়েছেন।
নেপাল প্রশাসন জানিয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তারা সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং গুজব ছড়ানো বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঘটনার শুরু নেপালের ধানুশা জেলায়। সেখানে দুই ব্যক্তির একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা ওই দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেও এর পরপরই কামালার সাখুয়া মারান এলাকায় একটি মসজিদে ভাঙচুর চালায় একদল দুর্বৃত্ত।
এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে পারসা জেলার বীরগঞ্জ শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও থানায় ভাঙচুর চালালে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। বর্তমানে বীরগঞ্জ শহরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি রয়েছে।
নেপালের পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি) নেপাল সীমান্ত কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।
মৈত্রী সেতু: নেপাল ও ভারতকে সংযুক্তকারী এই প্রধান পয়েন্টে বিশেষ নজরদারি ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে।
টহল জোরদার: সহাদেওয়া, মহাদেওয়া ও পান্তোকাসহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিএসএফ ও এসএসবি’র টহল বাড়ানো হয়েছে।
তল্লাশি: জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে পার হতে দেওয়া হচ্ছে না এবং সীমান্ত পার হওয়া প্রত্যেকের ওপর কঠোর তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
নেপালে অস্থিরতা ও দোকানপাট বন্ধ থাকায় সেখানে কর্মরত ভারতীয় পরিযায়ী শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। রাকেশ নামে এক শ্রমিক জানান, বীরগঞ্জের পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে এবং বাজারঘাট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা নেপালে ফিরবেন না বলে জানিয়েছেন।
নেপাল প্রশাসন জানিয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তারা সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং গুজব ছড়ানো বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন