নজরবিডি, ৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। চুক্তির প্রথম চালান হিসেবে ভেনেজুয়েলা থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে। এই তেল যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে খালাস করার পর আন্তর্জাতিক বাজারের প্রচলিত মূল্যে বিক্রি করা হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন:
“ভেনেজুয়েলা থেকে স্টোরেজ জাহাজে করে সরাসরি তেল আসবে। এই পরিকল্পনা ভেনেজুয়েলা এবং যুক্তরাষ্ট্র— উভয় দেশের জনগণের জন্য লাভজনক হবে। আমি জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রী ক্রিস রাইটকে দ্রুত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছি।”
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএনএনকে জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার নতুন অন্তর্বর্তী সরকার তেল পাঠাতে রাজি হয়েছে এবং ইতিমধ্যে জাহাজীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই প্রথম ভেনেজুয়েলার তেল সরাসরি মার্কিন বাজারে প্রবেশের পথ তৈরি হলো।
ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ)-এর তথ্যমতে, ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলসমৃদ্ধ দেশ।
মজুত: দেশটিতে প্রায় ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে, যা বিশ্বের মোট মজুতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
বর্তমান উৎপাদন: বিশাল মজুত থাকলেও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে দেশটি প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
ব্যবহার: ভেনেজুয়েলার তেল ভারী ও ঘন প্রকৃতির হওয়ায় এটি দিয়ে উন্নত মানের ডিজেল, অ্যাসফল্ট ও কলকারখানার ভারী জ্বালানি তৈরি সম্ভব।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। চুক্তির প্রথম চালান হিসেবে ভেনেজুয়েলা থেকে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে। এই তেল যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে খালাস করার পর আন্তর্জাতিক বাজারের প্রচলিত মূল্যে বিক্রি করা হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন:
“ভেনেজুয়েলা থেকে স্টোরেজ জাহাজে করে সরাসরি তেল আসবে। এই পরিকল্পনা ভেনেজুয়েলা এবং যুক্তরাষ্ট্র— উভয় দেশের জনগণের জন্য লাভজনক হবে। আমি জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রী ক্রিস রাইটকে দ্রুত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছি।”
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএনএনকে জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার নতুন অন্তর্বর্তী সরকার তেল পাঠাতে রাজি হয়েছে এবং ইতিমধ্যে জাহাজীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই প্রথম ভেনেজুয়েলার তেল সরাসরি মার্কিন বাজারে প্রবেশের পথ তৈরি হলো।
ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ)-এর তথ্যমতে, ভেনেজুয়েলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলসমৃদ্ধ দেশ।
মজুত: দেশটিতে প্রায় ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে, যা বিশ্বের মোট মজুতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
বর্তমান উৎপাদন: বিশাল মজুত থাকলেও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে দেশটি প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
ব্যবহার: ভেনেজুয়েলার তেল ভারী ও ঘন প্রকৃতির হওয়ায় এটি দিয়ে উন্নত মানের ডিজেল, অ্যাসফল্ট ও কলকারখানার ভারী জ্বালানি তৈরি সম্ভব।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন