ইরানে গত কয়েক সপ্তাহের নজিরবিহীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রাণহানির সংখ্যা ৩ হাজার ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ (HRANA) এবং রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী মোট ৩,০৯০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২,৮৮৫ জনই সাধারণ বিক্ষোভকারী। বাকিরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
রাজধানী তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে বর্তমানে বড় কোনো বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। ব্যাপক দমন-পীড়নের ফলে আন্দোলন বর্তমানে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
প্রায় ২০০ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকার পর ইন্টারনেটে সামান্য উন্নতি দেখা গেছে। তবে ‘নেটব্লকস’ জানিয়েছে, সংযোগের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ জানিয়েছেন যে, ইরানি নেতৃত্ব ৮০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীর নির্ধারিত ফাঁসি বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি তেহরানকে ধন্যবাদ জানান। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ফাঁসি কার্যকর বা তা বাতিলের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন শহরের আকাশে নজরদারি ড্রোন উড়তে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় শিক্ষার্থী ও তীর্থযাত্রীরা জানিয়েছেন, চরম অস্থিরতার সময় তারা নিজ নিজ আবাসস্থলে অবরুদ্ধ ছিলেন এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।
গত ২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে এই বিক্ষোভ শুরু হলেও দ্রুত তা বর্তমান ধর্মীয় শাসনের অবসানের দাবিতে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। গত সপ্তাহে এই সহিংসতা চরম আকার ধারণ করেছিল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে গত কয়েক সপ্তাহের নজিরবিহীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রাণহানির সংখ্যা ৩ হাজার ৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ (HRANA) এবং রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী মোট ৩,০৯০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২,৮৮৫ জনই সাধারণ বিক্ষোভকারী। বাকিরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।
রাজধানী তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে বর্তমানে বড় কোনো বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। ব্যাপক দমন-পীড়নের ফলে আন্দোলন বর্তমানে কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
প্রায় ২০০ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকার পর ইন্টারনেটে সামান্য উন্নতি দেখা গেছে। তবে ‘নেটব্লকস’ জানিয়েছে, সংযোগের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ জানিয়েছেন যে, ইরানি নেতৃত্ব ৮০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীর নির্ধারিত ফাঁসি বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি তেহরানকে ধন্যবাদ জানান। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ফাঁসি কার্যকর বা তা বাতিলের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন শহরের আকাশে নজরদারি ড্রোন উড়তে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় শিক্ষার্থী ও তীর্থযাত্রীরা জানিয়েছেন, চরম অস্থিরতার সময় তারা নিজ নিজ আবাসস্থলে অবরুদ্ধ ছিলেন এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।
গত ২৮ ডিসেম্বর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে এই বিক্ষোভ শুরু হলেও দ্রুত তা বর্তমান ধর্মীয় শাসনের অবসানের দাবিতে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। গত সপ্তাহে এই সহিংসতা চরম আকার ধারণ করেছিল।

আপনার মতামত লিখুন