নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

ফিলিপাইনে ৩৪২ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি: ১৫ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪৩

ফিলিপাইনে ৩৪২ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি: ১৫ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪৩

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৪২ জন আরোহী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৪৩ জন যাত্রী।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরের দিকে ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের ফেরিটি বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ফেরিটিতে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু ছিলেন। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি সাগরে তলিয়ে যায়। তবে ঠিক কী কারণে ফেরিটি ডুবেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

দুর্ঘটনার পর থেকে কোস্টগার্ডের ডুবুরি ও উদ্ধারকারী দল ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে।  এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।  উদ্ধারকাজে গতি আনতে বাসিলান ও মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।

দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানান, "বর্তমানে আমাদের কিছুটা কর্মীসংকট রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা দ্রুত করতে মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালানো হচ্ছে।"

প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দেশ ফিলিপাইনে দ্বীপ থেকে দ্বীপে যাতায়াতে ফেরি প্রধান মাধ্যম হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আজকের দুর্ঘটনার পর দেশটির নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।

সূত্র: এএফপি, আরটি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ফিলিপাইনে ৩৪২ যাত্রী নিয়ে ফেরিডুবি: ১৫ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪৩

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৪২ জন আরোহী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী ফেরি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৪৩ জন যাত্রী।

বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরের দিকে ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের ফেরিটি বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ফেরিটিতে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু ছিলেন। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি সাগরে তলিয়ে যায়। তবে ঠিক কী কারণে ফেরিটি ডুবেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

দুর্ঘটনার পর থেকে কোস্টগার্ডের ডুবুরি ও উদ্ধারকারী দল ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে।  এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।  উদ্ধারকাজে গতি আনতে বাসিলান ও মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।

দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানান, "বর্তমানে আমাদের কিছুটা কর্মীসংকট রয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা দ্রুত করতে মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালানো হচ্ছে।"

প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দেশ ফিলিপাইনে দ্বীপ থেকে দ্বীপে যাতায়াতে ফেরি প্রধান মাধ্যম হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আজকের দুর্ঘটনার পর দেশটির নৌ-নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।

সূত্র: এএফপি, আরটি


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত