গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই সময় থেকেই বিক্ষোভকারীদের সহায়তার অজুহাতে ট্রাম্প ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পরমাণু কার্যক্রম এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন নিয়ে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ইরানকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান কোনোভাবেই পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজের একটি বিশাল নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ (Armada) ইতোমধ্যে ইরানের অভিমুখে যাত্রা করেছে এবং আলোচনার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন: "ইরানকে দ্রুত আলোচনার টেবিলে এসে একটি সুষ্ঠু চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। গত বছরের জুনে পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে যে হামলা চালানো হয়েছিল (অপারেশন মিডনাইট হ্যামার), এবার তার চেয়েও বড় ও বিধ্বংসী আঘাত হানা হবে।"
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার কেবল পরমাণু কেন্দ্র নয়, বরং ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বিমান হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। মূলত গত মাসে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং এরপর বিক্ষোভকারীদের ওপর তেহরানের দমন-পীড়নের পর থেকেই ট্রাম্পের সুর আরও কঠোর হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন' (USS Abraham Lincoln) এবং তিনটি ডেস্ট্রয়ারসহ বিশাল নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগছি ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, সামরিক হুমকির মুখে কোনো কূটনীতি সফল হবে না এবং আক্রান্ত হলে ইরান ‘আগে কখনো দেখেনি’ এমন কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু ইস্যুতে দুই দেশের অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ সামরিক সংকটের কিনারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই সময় থেকেই বিক্ষোভকারীদের সহায়তার অজুহাতে ট্রাম্প ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
পরমাণু কার্যক্রম এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন নিয়ে চলমান আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই বিস্ফোরক তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ইরানকে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরান কোনোভাবেই পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজের একটি বিশাল নৌবহর বা ‘আর্মাডা’ (Armada) ইতোমধ্যে ইরানের অভিমুখে যাত্রা করেছে এবং আলোচনার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন: "ইরানকে দ্রুত আলোচনার টেবিলে এসে একটি সুষ্ঠু চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়। গত বছরের জুনে পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে যে হামলা চালানো হয়েছিল (অপারেশন মিডনাইট হ্যামার), এবার তার চেয়েও বড় ও বিধ্বংসী আঘাত হানা হবে।"
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার কেবল পরমাণু কেন্দ্র নয়, বরং ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও বিমান হামলার পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। মূলত গত মাসে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং এরপর বিক্ষোভকারীদের ওপর তেহরানের দমন-পীড়নের পর থেকেই ট্রাম্পের সুর আরও কঠোর হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন' (USS Abraham Lincoln) এবং তিনটি ডেস্ট্রয়ারসহ বিশাল নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগছি ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, সামরিক হুমকির মুখে কোনো কূটনীতি সফল হবে না এবং আক্রান্ত হলে ইরান ‘আগে কখনো দেখেনি’ এমন কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু ইস্যুতে দুই দেশের অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ সামরিক সংকটের কিনারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

আপনার মতামত লিখুন