রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারে, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১ হাজার ৫৯৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, জানুয়ারি মাসে প্রাপ্ত প্রবাসী আয় এযাবৎকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২৫ সালের মে মাসে—৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে একই বছরের ডিসেম্বর মাসে—৩২২ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় বাড়ার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং হুন্ডি দমনে কার্যকর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
এ ছাড়া আগের সরকারের শেষ দিকে প্রবাসী আয় বাড়াতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ প্রত্যাহার ও প্রণোদনা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার ইতিবাচক প্রভাব এখনও অব্যাহত রয়েছে। যদিও ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কিছুটা বাধা তৈরি হয়েছিল, তবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রবাসী আয়ে ফের গতি এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যথাক্রমে ২১.৬১ বিলিয়ন ও ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় আসে। পরবর্তী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই এসেছে ১৯.৪৩ বিলিয়ন ডলার।
প্রবাসী আয় সংগ্রহকারী ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে সামনে দিনগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারে, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১ হাজার ৫৯৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, জানুয়ারি মাসে প্রাপ্ত প্রবাসী আয় এযাবৎকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২৫ সালের মে মাসে—৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে একই বছরের ডিসেম্বর মাসে—৩২২ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় বাড়ার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং হুন্ডি দমনে কার্যকর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
এ ছাড়া আগের সরকারের শেষ দিকে প্রবাসী আয় বাড়াতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ প্রত্যাহার ও প্রণোদনা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার ইতিবাচক প্রভাব এখনও অব্যাহত রয়েছে। যদিও ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কিছুটা বাধা তৈরি হয়েছিল, তবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রবাসী আয়ে ফের গতি এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে যথাক্রমে ২১.৬১ বিলিয়ন ও ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় আসে। পরবর্তী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলারে। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই এসেছে ১৯.৪৩ বিলিয়ন ডলার।
প্রবাসী আয় সংগ্রহকারী ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে সামনে দিনগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন