নজর বিডি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মাটির নিচে বিশাল মিসাইল ঘাঁটি খুলল ইরান

মাটির নিচে বিশাল মিসাইল ঘাঁটি খুলল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই মাটির নিচে নির্মিত নতুন একটি শক্তিশালী মিসাইল ঘাঁটি উন্মোচন করেছে ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ ও বিপুল সেনা মোতায়েন করে ওয়াশিংটনের চাপের মুখে নিজেদের সামরিক সক্ষমতার জানান দিল তেহরান। বুধবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি এবং আইআরজিসি-র এরোস্পেস বিভাগের প্রধান সায়েদ মাজেদ মুসাভি নতুন এই ভূগর্ভস্থ মিসাইল ঘাঁটিটি উদ্বোধন করেন।

ঘাঁটি পরিদর্শনকালে জেনারেল মুসাভি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত বছরের (২০২৫) জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইরান তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ইরান এখন 'প্রতিরক্ষামূলক' (Defensive) অবস্থান ছেড়ে 'আক্রমণাত্মক' (Offensive) অবস্থান গ্রহণ করেছে।

নতুন রণকৌশলের মূল দিকগুলো হলো ব্লিটজক্রিগ স্টাইল: খুব অল্প সময়ে বৃহৎ পরিসরে শত্রুর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো। অসম যুদ্ধ (Asymmetric Warfare): প্রতিপক্ষের প্রথাগত সামরিক শক্তিকে চূর্ণ করতে অপ্রথাগত ও কৌশলগত পদ্ধতি ব্যবহার। প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ব্যালিস্টিক মিসাইলের কারিগরি উন্নয়ন ঘটিয়ে লক্ষ্যভেদী সক্ষমতা বাড়ানো।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বর্তমানে একটি সংকটপূর্ণ আলোচনার টেবিলে থাকলেও দুই দেশই সামরিকভাবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র যদি সামান্যতম ভুল করে বা ইরানে হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে তার ফল হবে একটি ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধ।" তিনি আরও যোগ করেন, এই যুদ্ধের আগুনে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা কেউ নিরাপদ থাকবে না।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই 'মিসাইল সিটি' বা ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলো মাটির শত শত মিটার গভীরে অবস্থিত, যা বাঙ্কার-বাস্টার বোমা দিয়েও ধ্বংস করা কঠিন। মূলত মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার রক্ষা করতেই এই পদ্ধতি বেছে নিয়েছে তেহরান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


মাটির নিচে বিশাল মিসাইল ঘাঁটি খুলল ইরান

প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই মাটির নিচে নির্মিত নতুন একটি শক্তিশালী মিসাইল ঘাঁটি উন্মোচন করেছে ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ ও বিপুল সেনা মোতায়েন করে ওয়াশিংটনের চাপের মুখে নিজেদের সামরিক সক্ষমতার জানান দিল তেহরান। বুধবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি এবং আইআরজিসি-র এরোস্পেস বিভাগের প্রধান সায়েদ মাজেদ মুসাভি নতুন এই ভূগর্ভস্থ মিসাইল ঘাঁটিটি উদ্বোধন করেন।

ঘাঁটি পরিদর্শনকালে জেনারেল মুসাভি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত বছরের (২০২৫) জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইরান তাদের দীর্ঘদিনের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ইরান এখন 'প্রতিরক্ষামূলক' (Defensive) অবস্থান ছেড়ে 'আক্রমণাত্মক' (Offensive) অবস্থান গ্রহণ করেছে।

নতুন রণকৌশলের মূল দিকগুলো হলো ব্লিটজক্রিগ স্টাইল: খুব অল্প সময়ে বৃহৎ পরিসরে শত্রুর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো। অসম যুদ্ধ (Asymmetric Warfare): প্রতিপক্ষের প্রথাগত সামরিক শক্তিকে চূর্ণ করতে অপ্রথাগত ও কৌশলগত পদ্ধতি ব্যবহার। প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ব্যালিস্টিক মিসাইলের কারিগরি উন্নয়ন ঘটিয়ে লক্ষ্যভেদী সক্ষমতা বাড়ানো।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বর্তমানে একটি সংকটপূর্ণ আলোচনার টেবিলে থাকলেও দুই দেশই সামরিকভাবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্র যদি সামান্যতম ভুল করে বা ইরানে হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে তার ফল হবে একটি ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধ।" তিনি আরও যোগ করেন, এই যুদ্ধের আগুনে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা কেউ নিরাপদ থাকবে না।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই 'মিসাইল সিটি' বা ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলো মাটির শত শত মিটার গভীরে অবস্থিত, যা বাঙ্কার-বাস্টার বোমা দিয়েও ধ্বংস করা কঠিন। মূলত মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার রক্ষা করতেই এই পদ্ধতি বেছে নিয়েছে তেহরান।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত