ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২০১৪ সালে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত কাওসার ওরফে ‘বোমারু’ মিজানকে আরও একটি মামলায় ৮ বছরের সাজা দিয়েছে কলকাতার....
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম হোতা এবং জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর শীর্ষ নেতা কাওসার ওরফে ‘বোমারু’ মিজানকে আরও একটি মামলায় ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে কলকাতার একটি আদালত। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) দায়ের করা একটি মামলায় এই রায় ঘোষণা করা হয়।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে অন্য এক মামলায় তাকে ২৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
২০১৮ সালের আগস্টে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) মিজানকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে জানা যায় ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর মিজান দীর্ঘ সময় দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আত্মগোপন করেছিল। ধরা পড়া এড়াতে সে কখনও কলের মিস্ত্রি, আবার কখনও কারিগর সেজে ছদ্মবেশ ধারণ করত। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামকে কেন্দ্র করে জেএমবি-র জঙ্গি তৎপরতা ও জিহাদের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছিল এই বোমারু মিজান।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বর্ধমানের খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ ও এনআইএ ঘটনাস্থল থেকে ৫৫টি আইইডি (IED), আরডিএক্স এবং বিপুল পরিমাণ সিম কার্ড উদ্ধার করে। এই মামলায় পরবর্তীতে মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে ১৯ জনই নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছিল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২০১৪ সালে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত কাওসার ওরফে ‘বোমারু’ মিজানকে আরও একটি মামলায় ৮ বছরের সাজা দিয়েছে কলকাতার....
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম হোতা এবং জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর শীর্ষ নেতা কাওসার ওরফে ‘বোমারু’ মিজানকে আরও একটি মামলায় ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে কলকাতার একটি আদালত। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) দায়ের করা একটি মামলায় এই রায় ঘোষণা করা হয়।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে অন্য এক মামলায় তাকে ২৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
২০১৮ সালের আগস্টে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) মিজানকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে জানা যায় ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর মিজান দীর্ঘ সময় দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আত্মগোপন করেছিল। ধরা পড়া এড়াতে সে কখনও কলের মিস্ত্রি, আবার কখনও কারিগর সেজে ছদ্মবেশ ধারণ করত। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামকে কেন্দ্র করে জেএমবি-র জঙ্গি তৎপরতা ও জিহাদের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছিল এই বোমারু মিজান।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বর্ধমানের খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ ও এনআইএ ঘটনাস্থল থেকে ৫৫টি আইইডি (IED), আরডিএক্স এবং বিপুল পরিমাণ সিম কার্ড উদ্ধার করে। এই মামলায় পরবর্তীতে মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে ১৯ জনই নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন