নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সরবরাহ বাড়লেও স্বস্তি নেই সবজি-মাছ-মুরগিতে

সরবরাহ বাড়লেও স্বস্তি নেই সবজি-মাছ-মুরগিতে

যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী যানবাহন এর বাইরে ছিল। তবুও ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন জেলা থেকে পণ্য গাড়ি কম আসায় 


বাজারে চড়া দাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের কারণে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ এবং সরবরাহ সংকটে গত কয়েকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী সবজি, মাছ ও মুরগির দাম।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম চড়া রয়েছে।

রাজধানীর মুগদা, মানিকনগরসহ বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ সময়ের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। অধিকাংশ মানুষ ভোটের ছুটিতে ঢাকার বাইরে থাকায় এবং অনেক দোকানপাট বন্ধ থাকায় বাজারগুলোতে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিক্রেতারা বলছেন, ঝুঁকি এড়াতে গত দু-তিন দিন ট্রাক কম আসায় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শিম, মুলা ও বেগুন: কেজিপ্রতি ৪০-৬০ টাকা (গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা)।ফুলকপি ও লাউ: প্রতি পিস ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা এবং লাউ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ও লেবু: মরিচের দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ১৮০-২০০ টাকায় ঠেকেছে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। পেঁয়াজ ও আলু: দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও সব ধরনের মাছে দাম বাড়তি। রুই ২৮০-৩২০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের চিংড়ি ৬৫০-৭০০ টাকায় থিতু হয়েছে।

অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে ১৮০-১৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকা কেজি দরে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে গরুর মাংসের দামে; গত সপ্তাহের ৭৮০-৮০০ টাকার গরুর মাংস এখন ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস ১২০০ টাকা এবং ডিম ১২০ টাকা ডজন দরে আগের দামেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


সরবরাহ বাড়লেও স্বস্তি নেই সবজি-মাছ-মুরগিতে

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী যানবাহন এর বাইরে ছিল। তবুও ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন জেলা থেকে পণ্য গাড়ি কম আসায় 


বাজারে চড়া দাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের কারণে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ এবং সরবরাহ সংকটে গত কয়েকদিন ধরেই ঊর্ধ্বমুখী সবজি, মাছ ও মুরগির দাম।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম চড়া রয়েছে।

রাজধানীর মুগদা, মানিকনগরসহ বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ সময়ের তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি এক-তৃতীয়াংশে নেমে এসেছে। অধিকাংশ মানুষ ভোটের ছুটিতে ঢাকার বাইরে থাকায় এবং অনেক দোকানপাট বন্ধ থাকায় বাজারগুলোতে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিক্রেতারা বলছেন, ঝুঁকি এড়াতে গত দু-তিন দিন ট্রাক কম আসায় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শিম, মুলা ও বেগুন: কেজিপ্রতি ৪০-৬০ টাকা (গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা)।ফুলকপি ও লাউ: প্রতি পিস ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা এবং লাউ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ও লেবু: মরিচের দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ১৮০-২০০ টাকায় ঠেকেছে। প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। পেঁয়াজ ও আলু: দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও সব ধরনের মাছে দাম বাড়তি। রুই ২৮০-৩২০ টাকা, কাতলা ৩০০-৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের চিংড়ি ৬৫০-৭০০ টাকায় থিতু হয়েছে।

অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে ১৮০-১৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকা কেজি দরে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে গরুর মাংসের দামে; গত সপ্তাহের ৭৮০-৮০০ টাকার গরুর মাংস এখন ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খাসির মাংস ১২০০ টাকা এবং ডিম ১২০ টাকা ডজন দরে আগের দামেই অপরিবর্তিত রয়েছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত