যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে এবার বড় আঘাত এলো দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের তরফ থেকে। গতকাল এক রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত শুল্কনীতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হানলেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। এক ঐতিহাসিক রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের দফায় দফায় ‘পাল্টা শুল্ক’ (Reciprocal Tariff) আরোপের সিদ্ধান্ত তার একতিয়ার বহির্ভূত এবং আইনত অবৈধ।
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ককে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। গত ২ এপ্রিল তিনি একটি নতুন শুল্কনীতি ঘোষণা করেন, যেখানে সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ‘পাল্টা শুল্ক’ আরোপের কথা বলা হয়। ট্রাম্প এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের 'অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস' হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
তবে শুক্রবারের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছেন যে ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA) প্রেসিডেন্টকে ইচ্ছামতো শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। শুল্ক বিষয়ক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একতিয়ার কেবল কংগ্রেসের (মার্কিন পার্লামেন্ট)। প্রেসিডেন্ট এই আইন প্রয়োগ করতে পারলেও তাকে অবশ্যই কংগ্রেসের নির্দেশনা ও সীমাবদ্ধতা মেনে চলতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জনই ট্রাম্পের এই নীতির বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ২০২৫ সালের আগস্টে ফেডারেল আপিল আদালতের দেওয়া রায়ই বহাল রাখলেন সর্বোচ্চ আদালত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিধিবহির্ভূত ব্যবহার করছেন।
সুপ্রিম কোর্ট যখন এই রায় ঘোষণা করেন, তখন ট্রাম্প বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। রায় শুনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় একে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অধিকার আমার আছে।”
চীন, ভারত, কানাডা, মেক্সিকো ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের এই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে এবার বড় আঘাত এলো দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের তরফ থেকে। গতকাল এক রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বলেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত শুল্কনীতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হানলেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। এক ঐতিহাসিক রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের দফায় দফায় ‘পাল্টা শুল্ক’ (Reciprocal Tariff) আরোপের সিদ্ধান্ত তার একতিয়ার বহির্ভূত এবং আইনত অবৈধ।
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ককে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। গত ২ এপ্রিল তিনি একটি নতুন শুল্কনীতি ঘোষণা করেন, যেখানে সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ‘পাল্টা শুল্ক’ আরোপের কথা বলা হয়। ট্রাম্প এই দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের 'অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস' হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।
তবে শুক্রবারের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছেন যে ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমারজেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA) প্রেসিডেন্টকে ইচ্ছামতো শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। শুল্ক বিষয়ক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একতিয়ার কেবল কংগ্রেসের (মার্কিন পার্লামেন্ট)। প্রেসিডেন্ট এই আইন প্রয়োগ করতে পারলেও তাকে অবশ্যই কংগ্রেসের নির্দেশনা ও সীমাবদ্ধতা মেনে চলতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন বিচারপতির মধ্যে ৬ জনই ট্রাম্পের এই নীতির বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ২০২৫ সালের আগস্টে ফেডারেল আপিল আদালতের দেওয়া রায়ই বহাল রাখলেন সর্বোচ্চ আদালত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিধিবহির্ভূত ব্যবহার করছেন।
সুপ্রিম কোর্ট যখন এই রায় ঘোষণা করেন, তখন ট্রাম্প বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। রায় শুনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় একে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অধিকার আমার আছে।”
চীন, ভারত, কানাডা, মেক্সিকো ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের এই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করল।

আপনার মতামত লিখুন