আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় আজ রোববার ভোরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এসব হামলার পর দেশটির তালেবান সরকারের উচ্চপদস্থ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় আজ রোববার ভোরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই হামলার পরপরই তালেবান সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করা হয় এবং এর পাল্টাজবাব দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আফগান সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান হামলা চালিয়ে আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করেছে। কাবুলের এই হামলার যথাযথ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে। তালেবান নেতৃবৃন্দ সুবিধাজনক সময়ে প্রতিশোধমূলক হামলার সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম 'দ্য উইক' জানিয়েছে, পাকিস্তান এই হামলার মাধ্যমে আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করছে আফগান প্রশাসন। বিষয়টি ইতোমধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান থেকে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। পাকিস্তানের দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে এই 'প্রিসিশন স্ট্রাইক' চালানো হয়েছে। তবে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিমানবাহিনী লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ডজনখানেক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
গত বছর দুই দেশের সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষের পর আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসলামাবাদ দাবি করে আসছে যে, এসব হামলার পরিকল্পনা আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে করা হচ্ছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটেই আজকের এই বিমান হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় আজ রোববার ভোরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এসব হামলার পর দেশটির তালেবান সরকারের উচ্চপদস্থ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় আজ রোববার ভোরে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই হামলার পরপরই তালেবান সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করা হয় এবং এর পাল্টাজবাব দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আফগান সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান হামলা চালিয়ে আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করেছে। কাবুলের এই হামলার যথাযথ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে। তালেবান নেতৃবৃন্দ সুবিধাজনক সময়ে প্রতিশোধমূলক হামলার সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম 'দ্য উইক' জানিয়েছে, পাকিস্তান এই হামলার মাধ্যমে আগের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে মনে করছে আফগান প্রশাসন। বিষয়টি ইতোমধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান থেকে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। পাকিস্তানের দাবি, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে এই 'প্রিসিশন স্ট্রাইক' চালানো হয়েছে। তবে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিমানবাহিনী লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ডজনখানেক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
গত বছর দুই দেশের সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষের পর আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসলামাবাদ দাবি করে আসছে যে, এসব হামলার পরিকল্পনা আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে করা হচ্ছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটেই আজকের এই বিমান হামলা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন