কিয়েভ দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ রাখায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ব্রাতিসলাভা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রবার্ট ফিকো।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এক ঘোষণায় এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান। মূলত 'দ্রুজবা' পাইপলাইন দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখায় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এই পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা নিল ব্রাতিসলাভা।
রাশিয়া থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তেল সরবরাহের প্রধান মাধ্যম এই দ্রুজবা (অর্থ: মৈত্রী) পাইপলাইন। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ইউক্রেন তাদের অংশের পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেয়। ইউক্রেনের দাবি, রুশ হামলায় পাইপলাইনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে মস্কো এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো তার ভাষণে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে 'ব্ল্যাকমেইলিং'-এর অভিযোগ তুলে বলেন:
ইউক্রেনের পদক্ষেপটি ছিল নিষ্ঠুর এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি অনুযায়ী এর পাল্টা জবাব দেওয়া যৌক্তিক।
যদি দ্রুত পাইপলাইন সচল না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। ফলে তারা স্লোভাকিয়ার বিদ্যুতের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন প্রায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ কিনেছে স্লোভাকিয়া থেকে।
অন্যদিকে, হাঙ্গেরিও এই ইস্যুতে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার শ্চিজার্তো জানিয়েছেন, পাইপলাইন সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দকৃত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১০ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ আটকে রাখবে বুদাপেস্ট।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিয়েভ দ্রুজবা পাইপলাইন বন্ধ রাখায় পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ব্রাতিসলাভা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রবার্ট ফিকো।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এক ঘোষণায় এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান। মূলত 'দ্রুজবা' পাইপলাইন দিয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখায় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এই পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থা নিল ব্রাতিসলাভা।
রাশিয়া থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তেল সরবরাহের প্রধান মাধ্যম এই দ্রুজবা (অর্থ: মৈত্রী) পাইপলাইন। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ইউক্রেন তাদের অংশের পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেয়। ইউক্রেনের দাবি, রুশ হামলায় পাইপলাইনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে মস্কো এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো তার ভাষণে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে 'ব্ল্যাকমেইলিং'-এর অভিযোগ তুলে বলেন:
ইউক্রেনের পদক্ষেপটি ছিল নিষ্ঠুর এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি অনুযায়ী এর পাল্টা জবাব দেওয়া যৌক্তিক।
যদি দ্রুত পাইপলাইন সচল না করা হয়, তবে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। ফলে তারা স্লোভাকিয়ার বিদ্যুতের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন প্রায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ কিনেছে স্লোভাকিয়া থেকে।
অন্যদিকে, হাঙ্গেরিও এই ইস্যুতে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার শ্চিজার্তো জানিয়েছেন, পাইপলাইন সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দকৃত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১০ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ আটকে রাখবে বুদাপেস্ট।

আপনার মতামত লিখুন