ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশি সন্দেহে ১৮ জনকে আটক করেছে কর্ণাটক রাজ্য পুলিশ। আটকদের মধ্যে শিশু ও নারীও আছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশি সন্দেহে নারী ও শিশুসহ ১৮ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের ‘বেঙ্গালুরু-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে ওই ১৮ জনকে আটক করা হয়। আটকদের কাছে ভারতের কোনো বৈধ নাগরিকত্ব বা বসবাসের নথিপত্র পাওয়া যায়নি। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হন।
আটকদের মধ্যে শিশু বাদে বাকিরা দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তাদের গতিবিধি নিয়ে স্থানীয় পুলিশের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
হাওড়া স্টেশনে নিয়ে আসার পর এই ১৮ জনকে পরবর্তী সময়ে কোথায় পাঠানো হবে, সে বিষয়ে কর্ণাটক বা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশি সন্দেহে ১৮ জনকে আটক করেছে কর্ণাটক রাজ্য পুলিশ। আটকদের মধ্যে শিশু ও নারীও আছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশি সন্দেহে নারী ও শিশুসহ ১৮ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের ‘বেঙ্গালুরু-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে ওই ১৮ জনকে আটক করা হয়। আটকদের কাছে ভারতের কোনো বৈধ নাগরিকত্ব বা বসবাসের নথিপত্র পাওয়া যায়নি। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হন।
আটকদের মধ্যে শিশু বাদে বাকিরা দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তাদের গতিবিধি নিয়ে স্থানীয় পুলিশের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
হাওড়া স্টেশনে নিয়ে আসার পর এই ১৮ জনকে পরবর্তী সময়ে কোথায় পাঠানো হবে, সে বিষয়ে কর্ণাটক বা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন