রমজানে রাজধানীর ফলের বাজারে দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী। রোজার নবম দিনে এসেও তরমুজ কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ইফতারের অন্যতম...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
পবিত্র রমজানের নবম দিনেও রাজধানীর ফলের বাজারে স্বস্তি নেই। ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ তরমুজ থেকে শুরু করে আপেল, মাল্টা ও আঙুর—সব ধরনের ফলের দামই এখন আকাশছোঁয়া। এতে ইফতারি কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নিউমার্কেট ও আজিমপুরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বাজারে বর্তমানে আগাম তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা সরবরাহের ঘাটতির কথা বললেও ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে দাম কমছে না। অন্যান্য ফলের চিত্রও একই:
| ফলের নাম | বর্তমান বাজার দর (প্রতি কেজি/ডজন) |
| আপেল | ৩৩০ – ৪০০ টাকা (কেজি) |
| মাল্টা | ৩১০ – ৩৪০ টাকা (কেজি) |
| সবুজ আঙুর | ৪২০ – ৪৫০ টাকা (কেজি) |
| সবরি কলা | ১৬০ – ১৮০ টাকা (ডজন) |
| পেয়ারা | ১০০ – ১৫০ টাকা (কেজি) |
| খেজুর (মানভেদে) | ৫০০ – ১৫০০ টাকা (কেজি) |
শুধু ফল নয়, ইফতারের অপরিহার্য উপাদান লেবুর হালি মানভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে। বেগুনের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
আজিমপুরের বাসিন্দা নাজনীন রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "গত সপ্তাহে যে তরমুজ ৫০ টাকা ছিল, আজ তা ৮০ টাকা। রমজান এলেই সবকিছুর দাম বাড়ানো এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।"
অন্যদিকে, বিক্রেতা আকরাম হোসেন জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এবং পরিবহন খরচ বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম কমাতে পারছেন না তারা। তবে তরমুজের মৌসুম পুরোদমে শুরু হলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজানে রাজধানীর ফলের বাজারে দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী। রোজার নবম দিনে এসেও তরমুজ কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ইফতারের অন্যতম...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
পবিত্র রমজানের নবম দিনেও রাজধানীর ফলের বাজারে স্বস্তি নেই। ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ তরমুজ থেকে শুরু করে আপেল, মাল্টা ও আঙুর—সব ধরনের ফলের দামই এখন আকাশছোঁয়া। এতে ইফতারি কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নিউমার্কেট ও আজিমপুরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বাজারে বর্তমানে আগাম তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা সরবরাহের ঘাটতির কথা বললেও ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে দাম কমছে না। অন্যান্য ফলের চিত্রও একই:
| ফলের নাম | বর্তমান বাজার দর (প্রতি কেজি/ডজন) |
| আপেল | ৩৩০ – ৪০০ টাকা (কেজি) |
| মাল্টা | ৩১০ – ৩৪০ টাকা (কেজি) |
| সবুজ আঙুর | ৪২০ – ৪৫০ টাকা (কেজি) |
| সবরি কলা | ১৬০ – ১৮০ টাকা (ডজন) |
| পেয়ারা | ১০০ – ১৫০ টাকা (কেজি) |
| খেজুর (মানভেদে) | ৫০০ – ১৫০০ টাকা (কেজি) |
শুধু ফল নয়, ইফতারের অপরিহার্য উপাদান লেবুর হালি মানভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে। বেগুনের কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।
আজিমপুরের বাসিন্দা নাজনীন রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "গত সপ্তাহে যে তরমুজ ৫০ টাকা ছিল, আজ তা ৮০ টাকা। রমজান এলেই সবকিছুর দাম বাড়ানো এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।"
অন্যদিকে, বিক্রেতা আকরাম হোসেন জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এবং পরিবহন খরচ বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম কমাতে পারছেন না তারা। তবে তরমুজের মৌসুম পুরোদমে শুরু হলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন