ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মারা গেছেন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আহত হয়েছিলেন তিনি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সোমবার (২ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবারের সেই ভয়াবহ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিজেও নিহত হন। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই একই হামলায় খামেনির পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন খামেনির এক কন্যা একজন নাতি। একজন পুত্রবধূ ও একজন জামাতা।
যদিও নিহতদের সবার নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এক হামলাতেই পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১৯৪৭ সালে এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম নেওয়া মনসুরেহ ১৯৬৪ সালে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে ও পরে স্বামীর রাজনৈতিক সংগ্রামের দিনগুলোতে তিনি ছিলেন নিভৃতচারী কিন্তু অটল স্তম্ভ। শাহের শাসনামলে খামেনির কারাবরণ ও নির্বাসনের সময়গুলোতেও তিনি নীরবে পরিবার ও স্বামীকে আগলে রেখেছিলেন। তিনি কখনোই কোনো সরকারি বা রাজনৈতিক পদে আসীন হননি এবং আজীবন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন।
খামেনি-মনসুরেহ দম্পতির ছয় সন্তান (চার ছেলে ও দুই মেয়ে)। তাদের মধ্যে মেজ ছেলে মোজতবা খামেনি রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং তাকেই খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। অন্য সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তফা, মাসুদ, মেয়সাম, বুশরা ও হোদা। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তারা মূলত পর্দার আড়ালেই থাকতেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মারা গেছেন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আহত হয়েছিলেন তিনি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সোমবার (২ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবারের সেই ভয়াবহ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিজেও নিহত হন। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওই একই হামলায় খামেনির পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন খামেনির এক কন্যা একজন নাতি। একজন পুত্রবধূ ও একজন জামাতা।
যদিও নিহতদের সবার নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এক হামলাতেই পরিবারের কয়েক প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১৯৪৭ সালে এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম নেওয়া মনসুরেহ ১৯৬৪ সালে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে ও পরে স্বামীর রাজনৈতিক সংগ্রামের দিনগুলোতে তিনি ছিলেন নিভৃতচারী কিন্তু অটল স্তম্ভ। শাহের শাসনামলে খামেনির কারাবরণ ও নির্বাসনের সময়গুলোতেও তিনি নীরবে পরিবার ও স্বামীকে আগলে রেখেছিলেন। তিনি কখনোই কোনো সরকারি বা রাজনৈতিক পদে আসীন হননি এবং আজীবন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন।
খামেনি-মনসুরেহ দম্পতির ছয় সন্তান (চার ছেলে ও দুই মেয়ে)। তাদের মধ্যে মেজ ছেলে মোজতবা খামেনি রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি পরিচিত এবং তাকেই খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। অন্য সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তফা, মাসুদ, মেয়সাম, বুশরা ও হোদা। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তারা মূলত পর্দার আড়ালেই থাকতেন।

আপনার মতামত লিখুন